১। প্রথম ধাপঃ NADH2 জারিত হয়ে উচ্চশক্তি সম্পন্ন ইলেকট্রন (e–) ও শক্তি নির্গত হয়। নির্গত ইলেকট্রন বাহক NADH-Q রিডাক্টেজ কর্তৃক গৃহীত হয়। এখানে উৎপন্ন শক্তি প্রোটনকে (H+) অন্তঃঝিল্লির বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এখানে একটি ATP উৎপন্ন হয়।
২। দ্বিতীয় ধাপঃ ইলেকট্রন পরে NADH-Q রিডাক্টেজ হতে বাহক ইউবিকুইনন–এ (Co-Q) আসে। পরবর্তীতে ইলেকট্রন (e–) ইউবিকুইনন হতে বাহক সাইটোক্রোম–বি তে পৌছে।
৩। তৃতীয় ধাপঃ FADH2 জারিত হয়ে উচ্চশক্তি সম্পন্ন ইলেকট্রন (e–) ও শক্তি নির্গত হয়। নির্গত ইলেকট্রন বাহক সাইটোক্রোম–বি কর্তৃক গৃহীত হয়। এখানে সৃষ্ট শক্তি প্রোটনকে (H+) আন্তঃঝিল্লির ফাঁকা স্থানে পাঠিয়ে দেয়। ইলেকট্রন পরে সাইটোক্রোম–বি হতে বাহক সাইটোক্রোম–সি তে আসে।
৪। চতুর্থ ধাপঃ সাইটোক্রোম–সি থেকে ইলেকট্রন (e–) সাইটোক্রোম অক্সিডেজ–এ স্থানান্তরিত হয়। এখানে বিদ্যমান প্রোটনকে (H+) আন্তঃঝিল্লির ফাঁকা স্থানে পাঠানো হয়। সবশেষে ইলেকট্রন মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে মুক্ত হয় এবং O2 এর সাথে যুক্ত হয়ে H2O পানি তৈরী করে।
৫। পঞ্চম ধাপঃ কেমি–অসমোসিস প্রক্রিয়ায় আন্তঃঝিল্লির ফাঁকা স্থান থেকে প্রোটন ATP সিনথেসেস–এর মধ্য দিয়ে পুনরায় ম্যাট্রিক্সে প্রবেশ করে। এখানে নির্গত শক্তি ADP ও Pi এর মিলন ঘটিয়ে ATP তৈরী করে।
৬। ষষ্ঠ ধাপঃ ইলেকট্রন (e–) এবং প্রোটনকে (H+) ম্যাট্রিক্সে অবস্থিত অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে H2O উৎপন্ন করে। ম্যাট্রিক্সে অক্সিজেনের শুন্যতা দেখা দিলে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়।