ফুসফুসের কাজ । Lung । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। শ্বসন অঙ্গঃ ফুসফুস প্রাণীর প্রধান শ্বসন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।

২। গ্যাসীয় বিনিময়ঃ ফুসফুসের অ্যালভিওলাস গ্যাসের বিনিময় ঘটায়।

৩। CO2 নির্গমনঃ ইহা CO2 নির্গত করে।

৪। রাসায়নিক পদার্থ সংশ্লেষঃ ফুসফুসে প্রোটিন, শর্করা ফ্যাট এর সংশ্লেষ ঘটে।

৫। রাসায়নিক পদার্থ নির্গতঃ ফুসফুসীয় কলা ব্রাডিকিনিন প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষ নির্গত করে।

৬। শব্দ সৃষ্টিঃ ইহা শব্দ সৃষ্টিতে অংশ গ্রহণ করে।

৭। রাসায়নিক পদার্থ সংরক্ষণঃ ফুসফুসীয় কলা হিস্টামিন সেরাটোনিন সংরক্ষণ এবং নির্গত করে।

৮। হরমোনকে নিস্ক্রিঃ ইহা অ্যাড্রেনালিন নরঅ্যাড্রেনালিন হরমোনকে নিস্ক্রিয় করে।

৯। পানি তাপ সমতাঃ ইহা দেহে তাপমাত্রা পানি সমতা নিয়ন্ত্রণ করে।

১০। রাসায়নিক ক্ষরণঃ ইহা ইমিউনোগ্লোবিন ক্ষরণ করে এবং অ্যানজিওটেনসিন কে অ্যানজিওটেনসিন রুপান্তরিত করে।

১১। হোমিওস্ট্যাসিসঃ ইহা দেহের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ বা হোমিওস্ট্যাসিস অবস্থা বজায় রাখে।

১২। উদ্বায়ী গ্যাসঃ ইহা ক্লোরোফর্ম, ইথার, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি নিষ্কাশন করে।

১৩। দুষিত পদার্থ প্রবেশ রোধঃ বাতাসের জীবাণু দুষিত পদার্থ দেহে প্রবেশে বাঁধা দেয়।

ফুসফুস কী । ফুসফুসের গঠন আলোচনা । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

মানুষের বক্ষগহŸরে যে হালকা গোলাপী বর্ণের বৃহৎ ও স্পঞ্জের মতো নরম অঙ্গ থাকে তাকে ফুসফুস বলে। মানবদেহে দুইটি ফুসফুস থাকে। ডান ও বাম ফুসফুস। ডান ফুসফুস বড়, তিন খন্ড বা লোব বিশিষ্ট এবং ওজন ৬২৫ গ্রাম। বাম ফুসফুস ছোট, দুই খন্ড বা লোব বিশিষ্ট এবং ওজন ৫৬৫ গ্রাম। দুইটি ফুসফুসের একত্রে ওজন ২.৯ পাউন্ড। ডান ফুসফুসে ১০টি এবং বাম ফুসফুসে ৮টি সেগমেন্ট বা খন্ডে বিভক্ত। প্রতিটি সেগমেন্ট বা খন্ড অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত। ফুসফুসের যে স্থান দিয়ে ব্রংকাস, রক্তনালি ও লসিকানালি প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে। ব্রংকাস, রক্তনালি ও লসিকানালি যোজক কলা দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে ফুসফুসের মূল গঠন করে।
প্রতিটি ফুসফুস প্লিউরা নামক দ্বিস্তরী পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল এবং ভিতরের স্তরটিকে ভিসেরাল স্তর বলে। স্তর দুটির মাঝখানে সেরাস ফ্লুইড নামক তরল পদার্থ থাকে। সেরাস ফ্লুইড ফুসফুসকে ঘর্ষণজনিত আঘাত থেকে রক্ষা করে।

ব্রঙ্কিয়াল কী । শ্বসন বৃক্ষ কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত বিভক্ত হয়ে দুইটি শাখা সৃষ্টি করে। ডান বাম শাখা। শাখা দুটিকে ক্রোমনালী বা ব্রংকাস বলে। ডান শাখাটি ৩টি ভাগে বিভক্ত হয়ে ডান ফুসফুসে এবং বাম শাখাটি ২টি ভাগে বিভক্ত হয়ে বাম ফুসফুসে প্রবেশ করে। প্রতিটি শাখা পুনঃপুনঃ বিভক্ত হয়ে অসংখ্য ব্রংকিওল গঠন করে। প্রতিটি ব্রংকিওলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য বায়ু প্রকোষ্ঠ থাকে। এদেরকে অ্যালভিলাই বলে। অ্যালভিওলাস হলো ফুসফুসে গঠনিক এবং কার্যিক একক। সমগ্র শ্বাসনালি দেখতে উল্টানো বৃক্ষের মতো বলে একে শ্বসন বৃক্ষ বলা হয়।

কাজঃ ব্রংকাসের ভিতর দিয়ে বায়ু ট্রাকিয়া হতে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং ফুসফুস হতে CO2 যুক্ত বায়ু ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে বের হয়ে যায়।

শ্বাসনালী কী । ট্রাকিয়া কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ভোকাল কর্ড থেকে পঞ্চম বক্ষদেশীয় কশেরুকা পর্যন্ত অংশকে শ্বাসনালী বলে। ইহা একটি ফাঁপা নল। এর দৈর্ঘ্য ১২ সেমি এবং ব্যাস সেমি। ইহা C (অর্ধ বলয়) আকৃতির ১৬২০টি তরুণাস্থি বলয় দ্বারা গঠিত। বলয় গুলো তন্তুময় কলা দ্বারা যুক্ত থাকে বলে শ্বাসনালী চুপসে যায় না। শ্বাসনালীর অন্তঃপ্রাচীর সিলিয়াযুক্ত মিউকাস আবরণী দ্বারা এবং বহিঃপ্রাচীর যোজক কলার আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।

কাজঃ ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে বায়ু চলাচল করে। মিউকাস আবরণীর সিলিয়া অবাঞ্চিত বস্তুর প্রবেশ রোধ করে।

স্বরযন্ত্র কী । ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গলবিলের নিচে অবস্থিত তরুণাস্থি নির্মিত একটি ছোট অঙ্গ হলো স্বরযন্ত্র। তরুণাস্থি গুলোর মধ্যে থাইরয়েড তরুণাস্থিটি সবচেয়ে বড় এবং Adam’s apple নামে পরিচিত। এর উপরের দিকে এপিগøটিস নামে একটি ছোট ঢাকনা থাকে। স্বরযন্ত্রের ভিতরে মিউকাস আবরণী এবং ৬টি স্থিতিস্থাপক ভোকাল কর্ড থাকে। টানটান অবস্থায় ভোকাল কর্ড বায়ু দ্বারা কম্পিত হয় এবং শব্দ উৎপন্ন করে।

কাজঃ এপিগ্লটিস স্বরযন্ত্রে খাদ্য প্রবেশে বাঁধা দেয়। ভোকাল কর্ড স্বর বা শব্দ উৎপন্ন করে।

নাসাগহ্বর কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ভেস্টিবিউলের পরের অংশকে নাসাগহ্বর বলে। এর অন্তঃপ্রাচীরে সিলিয়াযুক্ত এপিথেলিয়াম, মিউকাস পর্দা, ঘ্রাণ সংবেদী কোষ, রক্তবাহিকা, স্নায়ুপ্রান্ত, তৈলগ্রন্থি এবং অসংখ্য লোম থাকে। অলফ্যাক্টরী কোষ ঘ্রাণ উদ্দীপনা গ্রহণে সাহায্য করে।

কাজঃ ইহা শুষ্ক বায়ুকে সিক্ত এবং গরম বায়ুকে ঠান্ডা করে। সিলিয়াযুক্ত কোষ এবং মিউকাস পর্দা ধুলাবালি জীবাণুকে আটকে দেয়। অলফ্যাক্টরী কোষ ঘ্রাণ উদ্দীপনা গ্রহণে সহায়তা করে।

শ্বসন কী । Respiration কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের কার্যকারীতায় অক্সিজেনের উপস্থিতিতে জীবকোষস্থ জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল খাদ্যে পরিনত হয়, স্থিতিশক্তি গতিশক্তিতে রুপান্তরিত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলে। ইহা একটি জটিল এবং অবিরাম প্রক্রিয়া। শ্বসন দুই ধরনের।
১। সবাত শ্বসনঃ যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ঘটে তাকে সবাত শ্বসন বলে।
২। অবাত শ্বসনঃ যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন প্রয়োজন হয় না তাকে অবাত শ্বসন বলে।
C6H12O6 + 6O2 —→ 6H2O + 6CO2 + 38 ATP

অ্যানজিওপ্লাস্টি কী । Angioplasty । অ্যানজিওপ্লাস্টি পদ্ধতি এবং সুবিধা ও অসুবিধা । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Angio অর্থ রক্তনালি এবং plasty অর্থ পুননির্মাণ নিয়ে Angioplasty শব্দটি গঠিত। ধমনীতে কোলেস্টেরল বা চর্বি জমে ø বা রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে যান্ত্রিক উপায়ে তা প্রশস্ত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করাকে এনজিওপ্লাস্টি বলে। একে পারকিউটেনাস করোনারী ইন্টারভেনশন (PCI) বলা হয়। করোনারী ধমনীতে দীর্ঘদিন ধরে কোলেস্টেরল জমা হয়ে প্ল্যাক গঠন করে। প্ল্যাক পুরু হয়ে অ্যাথারোমা গঠন করে যাকে করোনারী ø বলে। করোনারী ধমনীতে ৭০৮০% ø হয়। ১৯৭৭ সালে সুইজারল্যান্ডের ডাঃ আনড্রেস গ্রয়েনজিগ সর্বপ্রথম পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। বিভিন্ন ধরনের অ্যানজিওপ্লাস্টি হলো

 ১। বেলুন অ্যানজিওপ্লাস্টি (Ballon angioplasty)

২। স্টেনটিং বা রিং অ্যানজিওপ্লাস্টি (Stenting angioplasty)

৩। লেজার অ্যানজিওপ্লাস্টি (Laser angioplasty)

৪। করোনারী অ্যাথেরেকটমী (Coronary atherectomy)

 

বেলুন স্টেনটিং (রিং) করোনারী অ্যানজিওপ্লাস্টি পদ্ধতি

১। অ্যানজিওগ্রাম করে নিশ্চিত হওয়ার পর সার্জারী করা হয়।

২। অ্যানজিপ্লাস্টি শুরুর আগে রোগীর হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

৩। রোগীর ব্যথা রোধের জন্য কুঁচকি বা বাহুর ত্বকে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করা হয়।

৪। মোটা সুঁই দিয়ে কুঁচকি অথবা বাহুর প্রধান রক্তনালিতে একটি ছিদ্র করা হয়।

৫। ছিদ্রের মধ্য দিয়ে একটি গাইড ক্যাথেটার (সরু, নমনীয় লম্বা নল) প্রবেশ করানো হয়।

৬। গাইড ক্যাথেটারের প্রান্তটি করোনারী ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে প্রবেশ করানো হয়।

৭। গাইড ক্যাথেটারের মাধ্যমে স্ট্যান্ট দ্বারা আবৃত একটি বেলুন ক্যাথেটার পাঠানো হয়।

৮। ধমনীর প্লাক অঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য ক্যাথেটারের ভিতরে রঞ্জক পদার্থ প্রবেশ করানো হয়। এপদ্ধতিকে ফ্লুরোস্কোপি (fluoroscopy) বলে। ক্যাথেটার সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌছালো কিনা তা পর্যবেক্ষণে রঞ্জক পদার্থ সহায়তা করে। মনিটরের সাহায্যে ইহা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

৯। ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে বেলুন স্ট্যান্ট পৌছানোর ৩০৬০ সেকেন্ডের মধ্যে বেলুনটি ফুলানো হয়।এতে অ্যাথারোমা অংশের চর্বি চেপে যায় এবং ধমনীর সরু পথ প্রসারিত হয়।

১০। বেলুন দ্বারা ধমনীর প্রসারিত অংশে ধাতব স্ট্যান্ট বা রিংটি স্থাপন করা হয়। রিং স্থাপনের পর বেলুনসহ ক্যাথেটার বের করে আনা হয়।

১১। রিংটিতে ওষুধের প্রলেপ থাকে যা সর্বদা ধমনীতে মুক্ত হয়। মুক্ত ওষুধ ধমনীর চর্বিকে গলায় এবং পুনরায় ø তৈরীতে বাঁধা দেয়।

১২। একবার অ্যানজিওপ্লাস্ট করতে ৩০৪০ মিনিট সময় লাগে এবং রোগীকে একদিন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়।

অনেকসময় বেলুনের চাপে ধমনীর সরু স্থান প্রসারিত হয় না। ফলে অ্যানজিওপ্লাস্টি সম্ভব হয় না এবং রোগীকে ঈঅইএ সার্জারি করানো হয়।

 

লেজার অ্যানজিওপ্লাস্টি পদ্ধতি

১। লেজার অ্যানজিপ্লাস্টি শুরুর আগে রোগীর হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

২। রোগীর ব্যথা রোধের জন্য কুঁচকি বা বাহুর ত্বকে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করা হয়।

৩। মোটা সুঁই দিয়ে কুঁচকি অথবা বাহুর প্রধান রক্তনালিতে একটি ছিদ্র করা হয়।

৪। ছিদ্রের মধ্য দিয়ে একটি গাইড ক্যাথেটার (সরু, নমনীয় লম্বা নল) প্রবেশ করানো হয়।

৫। গাইড ক্যাথেটারের প্রান্তটি করোনারী ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে প্রবেশ করানো হয়।

৬। গাইড ক্যাথেটারের মাধ্যমে একটি লেজার ক্যাথেটার পাঠানো হয়।

৭। ধমনীর প্লাক অঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য ক্যাথেটারের ভিতরে রঞ্জক পদার্থ প্রবেশ করানো হয়। পদ্ধতিকে ফ্লুরোস্কোপি (fluoroscopy) বলে। ক্যাথেটার সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌছালো কিনা তা পর্যবেক্ষণে রঞ্জক পদার্থ সহায়তা করে। X-ray মনিটর দ্বারা ইহা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

৮। ধমনীর প্লাকযুক্ত অংশে পৌঁছার পর লেজার রশ্মি স্তরে স্তরে প্লাক ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস প্রাপ্ত প্লাক বাষ্পীভূত হয়ে যায়।

৯। ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

 

অ্যানজিওপ্লাস্টির সুবিধা

(i) অ্যানজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে ধমনীর ø অপসারণ করায় রোগীর বুকের ব্যথা উপশম হয়।

(iiহার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা দূর হয়।

(iii) রোগী কয়েক দিনের মধ্যে হালকা কাজকর্ম করতে পারে।

(iv) দীর্ঘকালিন সতর্কতার প্রয়োজন হয় না।

(v) এক মাসের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে যায়।

 

অ্যানজিওপ্লাস্টির অসুবিধা

(i) রিং পড়ানোর সময় % রোগীর হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

(ii) অপরেশনের সময় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ হতে পারে।

(iii) বেলুন ছিড়ে যেতে পারে।

(iv) রিং চুপসে রক্ত চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

(v) স্টেন্ট লাগানো স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে।

(vi) রোগীর পুনরায় ব্লকেজ হতে পারে।

(vii) অনেক সময় রিং লাগানো অংশে রক্ত জমাট বাঁধে এবং জমাট বাঁধা রক্ত মস্তিস্কের রক্তনালিতে প্রবেশ করে স্ট্রোক ঘটায়।

(viii) অনেকের অ্যালার্জি হতে পারে।

(ix) এটি একটি ব্যয় বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি।

অ্যানজিওপ্লাস্টির অসুবিধা কী কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) রিং পড়ানোর সময় % রোগীর হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

(ii) অপরেশনের সময় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ হতে পারে।

(iii) বেলুন ছিড়ে যেতে পারে।

(iv) রিং চুপসে রক্ত চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

(v) স্টেন্ট লাগানো স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে।

(vi) রোগীর পুনরায় ব্লকেজ হতে পারে।

(vii) অনেক সময় রিং লাগানো অংশে রক্ত জমাট বাঁধে এবং জমাট বাঁধা রক্ত মস্তিস্কের রক্তনালিতে প্রবেশ করে স্ট্রোক ঘটায়।

(viii) অনেকের অ্যালার্জি হতে পারে।

(ix) এটি একটি ব্যয় বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি।