ফার্ন প্রোথ্যালাস হলো সহবাসী উদ্ভিদ। অর্থাৎ পুংজননাঙ্গ এবং স্ত্রীজননাঙ্গ একই থ্যালাসে উৎপন্ন হয়। এর যৌনজনন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো।
(i) শুক্রাণু সৃষ্টিঃ অ্যান্থেরিডিয়ামের ভিতরে ২০-৫০টি শুক্রাণু মাতৃকোষ বা অ্যান্ড্রোসাইট কোষ থাকে। প্রতিটি শুক্রাণু মাতৃকোষ প্যাচানো বহু ফ্ল্যাজেলাযুক্ত শুক্রাণুতে পরিনত হয়। শুক্রাণু অ্যান্থেরিডিয়ামের শীর্ষভাগের ঢাকনা কোষ বিদীর্ণ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
(ii) ডিম্বাণু সৃষ্টিঃ আর্কিগোনিয়ামের ভিতরে কয়েকটি গ্রীবা নালিকা কোষ, একটি উদরীয় নালিকা কোষ এবং একটি বৃহদাকার ডিম্বাণু কোষ থাকে। ডিম্বাণু কোষটি ডিম্বাণুতে পরিনত হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iii) নিষেকঃ পরিনত আর্কিগোনিয়ামের নালি পথ মিউসিলেজ এবং ম্যালিক এসিড দ্বারা পূর্ণ থাকে। বৃষ্টির পানি বা শিশির বিন্দুর সাহায্যে শুক্রাণু আর্কিগোনিয়ামে পৌছে। আর্কিগোনিয়ামের ম্যালিক এসিড শুক্রাণুকে আকৃষ্ট করে। শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। নিষেকের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iv) অংকুরোদগমঃ জাইগোট প্রাচীর দ্বারা আবৃত হয়ে উস্পোরে পরিনত হয়। উস্পোর অনুকূল পরিবেশে অংকুরিত হয় এবং মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বার বার বিভাজিত হয়ে নতুন স্পোরোফাইট গঠন করে।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স