১। অঙ্গজ জননঃ Riccia থ্যালাসের নিচের অংশ মারা গেলে উপরের দিকের প্রতিটি শাখা নতুন উদ্ভিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। থ্যালাসের গিমাকাপ, প্রোটোনেমা, বুলবিল এবং টিউবার হতে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
২। অযৌনজননঃ স্পোরোফাইট উদ্ভিদের ক্যাপসুলে স্পোর মাতৃকোষ থাকে। স্পোর মাতৃকোষ হতে হোমোস্পোর উৎপন্ন হয়। হোমোস্পোর গুলো অনুকূল পরিবেশে অংকুরিত হয়ে নতুন Riccia গঠন করে।
৩। যৌনজননঃ Riccia–এর যৌনজনন পদ্ধতির ধাপগুলো হলো–
(i) গ্যামিট সৃষ্টিঃ Riccia এর পুংজননাঙ্গকে অ্যান্থেরিডিয়া এবং স্ত্রীজননাঙ্গকে আর্কিগোনিয়া বলে। অ্যান্থেরিডিয়ামের প্রতিটি জনন মাতৃকোষ দ্বি–ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট শুক্রাণুতে পরিনত হয়। আর্কিগোনিয়ামের জনন মাতৃকোষ ডিম্বাণু গঠন করে।
(ii) নিষেকঃ যৌনজননের সময় এদের শুক্রাণু পানিতে সাঁতার কেটে ডিম্বাণুর নিকটে আসে। এরপর পানির উপস্থিতিতে ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়। শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনকে নিষেক বলে। নিষেকের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়।
(iii) অংকুরোদগমঃ নিষেকের ফলে সৃষ্ট জাইগোটটি অংকুরিত হয়ে সরল ও গোলাকার স্পোরোফাইট গঠন করে।