(i) থ্যালাসঃ Riccia হলো গ্যামিটোফাইট উদ্ভিদ। এর দেহকে মূল, কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না। অর্থাৎ এরা থ্যালাস আকৃতির। থ্যালাস সবুজ, স্থুল, রসালো, শায়িত, বিষমপৃষ্ঠ এবং চ্যাপ্টা। ইহা দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট। প্রতিটি শাখার অগ্রভাগে একটি করে বড় খাঁজ থাকে। একে অগ্রস্থ খাঁজ বা Apical notch বলে। থ্যালাসের পৃষ্ঠদেশে লম্বালম্বি ভাবে একটি খাঁজ থাকে। একে পৃষ্ঠীয় খাঁজ বলে। পৃষ্ঠীয় খাঁজ বরাবর লম্বালম্বি ভাবে একটি মধ্যশিরা থাকে। অনেক গুলো থ্যালাস একত্রে গোলাপের পাপড়ির মতো অবস্থান করে। এ অবস্থাকে রোজেট বলে। থ্যালাসে গিমা কাপ জন্মে যা অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। ইহা সবুজ হওয়ায় সালোকসংশে¬ষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরী করতে পারে।
(ii) রাইজয়েডঃ জরপপরধ–থ্যালাসের নিম্নাংশ হতে সরু, সুত্রাকার, শাখা–প্রশাখাবিহীন, বর্ণহীন এককোষী রাইজয়েড উৎপন্ন্ হয়। ইহা দুই ধরনের। মসৃণ এবং অমসৃণ রাইজয়েড। অমসৃণ রাইজয়েডগুলোতে পেরেক–এর মতো গোঁজ থাকে। রাইজয়েড থ্যালাসকে মাটি বা অন্য কোন বস্তুর সাথে আটকে রাখে এবং পানি ও খনিজ লবণ পরিশোষণ করে। Riccia–এর জলজ প্রজাতিতে রাইজয়েড থাকে না।
(iii) স্কেলঃ Riccia থ্যালাসের নিম্নাংশ হতে সরু, সুত্রাকার, শাখা–প্রশাখাবিহীন, বর্ণহীন ও বহুকোষী স্কেল উৎপন্ন্ হয়। ইহা থ্যালাসকে মাটি বা অন্য কোন বস্তুর সাথে আটকে রাখে এবং পানি ও খনিজ লবণ পরিশোষণ করে। স্কেল থ্যালাসকে প্রতিকূল পরিবেশে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। Riccia –এর জলজ প্রজাতিতে স্কেল থাকে না।