ইউলোথিক্স-এর যৌনজনন । Sextual reproduction

Ulothrix একটি ভিন্নবাসী বা হেটারোথ্যালিক শৈবাল। এর যৌনজনন আইসোগ্যামাস প্রকৃতির। এর যৌনজনন বর্ণনা করা হলো।

১। গ্যামিট সৃষ্টিঃ প্রতিকূল পরিবেশে Ulothrixএর হোল্ড ফাস্ট ছাড়া যে কোন কোষ গ্যামিট্যাঞ্জিয়ামে পরিনত হয়। গ্যামিট্যাঞ্জিয়ামের প্রোটোপ্লাস্ট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে , ১৬, ৩২ বা ৬৪টি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট সৃষ্টি করে। প্রতিটি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট বাইফ্ল্যাজিলেট (দ্বিফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট) গ্যামিটে পরিনত হয়। প্রকৃতিতে ভিন্নধর্মীর জন্য এদেরকে + স্ট্রেইন নামে চিহ্নিত করা হয়।

২। গ্যামিটের নির্গমণঃ গ্যামিটগুলো ভেসিকল দ্বারা আবৃত থাকে। ভেসিকল দ্বারা আবৃত অবস্থায় এরা গ্যামিট্যাঞ্জিয়াম হতে বের হয়ে আসে। এরপর ভেসিকল নষ্ট হয়ে যায় এবং গ্যামিটগুলো মুক্তভাবে সাঁতার কাটতে থাকে।

৩। গ্যামিটের মিলনঃ ভিন্ন ভিন্ন ফিলামেন্ট হতে আগত + স্ট্রেইন এবংস্ট্রেইন এর যৌন মিলন বা নিষেক ঘটে। নিষেকের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়।

৪। রেস্টিং স্পোরঃ Ulothrix এর জাইগোট চার ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট হয়। ইহা কিছু সময় সচল থাকে। পরে ফ্ল্যাজেলা হারিয়ে প্রাচীর দ্বারা আবৃত হয়ে রেস্টিং স্পোরে পরিনত হয়।

৫। অংকুরোদগমঃ বিশ্রাম শেষে জাইগোটের নিউক্লিয়াসটি মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে ১৬টি হ্যাপ্লয়েড নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট্য অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট গঠন করে। এদের অর্ধেক + স্ট্রেইন এবং অর্ধেক স্ট্রেইন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হয়। প্রতিটি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট ফ্ল্যাজেলাযুক্ত স্পোরে পরিনত হয়। মায়োসিস প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় বলে এদেরকে মিয়োস্পোর বলা হয়। অনুকূল পরিবেশে জুস্পোর অ্যাপ্লানোস্পোর অঙ্কুরিত হয়ে Ulothrix এর নতুন ফিলামেন্ট গঠন করে।  lothrix একটি ভিন্নবাসী বা হেটারোথ্যালিক শৈবাল। এর যৌনজনন আইসোগ্যামাস প্রকৃতির। এর যৌনজনন বর্ণনা করা হলো।

১। গ্যামিট সৃষ্টিঃ প্রতিকূল পরিবেশে Ulothrixএর হোল্ড ফাস্ট ছাড়া যে কোন কোষ গ্যামিট্যাঞ্জিয়ামে পরিনত হয়। গ্যামিট্যাঞ্জিয়ামের প্রোটোপ্লাস্ট মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে , ১৬, ৩২ বা ৬৪টি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট সৃষ্টি করে। প্রতিটি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট বাইফ্ল্যাজিলেট (দ্বিফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট) গ্যামিটে পরিনত হয়। প্রকৃতিতে ভিন্নধর্মীর জন্য এদেরকে + স্ট্রেইন নামে চিহ্নিত করা হয়।

২। গ্যামিটের নির্গমণঃ গ্যামিটগুলো ভেসিকল দ্বারা আবৃত থাকে। ভেসিকল দ্বারা আবৃত অবস্থায় এরা গ্যামিট্যাঞ্জিয়াম হতে বের হয়ে আসে। এরপর ভেসিকল নষ্ট হয়ে যায় এবং গ্যামিটগুলো মুক্তভাবে সাঁতার কাটতে থাকে।

৩। গ্যামিটের মিলনঃ ভিন্ন ভিন্ন ফিলামেন্ট হতে আগত + স্ট্রেইন এবংস্ট্রেইন এর যৌন মিলন বা নিষেক ঘটে। নিষেকের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়।

৪। রেস্টিং স্পোরঃ Ulothrix এর জাইগোট চার ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট হয়। ইহা কিছু সময় সচল থাকে। পরে ফ্ল্যাজেলা হারিয়ে প্রাচীর দ্বারা আবৃত হয়ে রেস্টিং স্পোরে পরিনত হয়।

৫। অংকুরোদগমঃ বিশ্রাম শেষে জাইগোটের নিউক্লিয়াসটি মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে ১৬টি হ্যাপ্লয়েড নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট্য অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট গঠন করে। এদের অর্ধেক + স্ট্রেইন এবং অর্ধেক স্ট্রেইন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হয়। প্রতিটি অপত্য প্রোটোপ্লাস্ট ফ্ল্যাজেলাযুক্ত স্পোরে পরিনত হয়। মায়োসিস প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় বলে এদেরকে মিয়োস্পোর বলা হয়। অনুকূল পরিবেশে জুস্পোর অ্যাপ্লানোস্পোর অঙ্কুরিত হয়ে Ulothrix এর নতুন ফিলামেন্ট গঠন করে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Dr. Abu Bakkar Siddiq