১। দুষিত পানির মাধ্যমে কলেরা রোগের জীবাণু সংক্রমিত হয়।
২। যে সব অঞ্চলে পয়ঃনিষ্কাশন ও বিশুদ্ধ খাবার পানির যথাযথ ব্যবস্থা নাই সে অঞ্চলে কলেরা দ্রæত বিস্তার লাভ করে।
৩। রোগীর মলমূত্রের মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।
৪। সমুদ্রের উপকূলীয় অঞ্চল এবং লোনা পানিতে কলেরা জীবাণু বেঁচে থাকতে পারে।
৫। মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, শামুক, চিংড়ি, কঠিন অস্থি মাছ প্রভৃতির মধ্যে কলেরার জীবাণু বেঁচে থাকে।
৬। রোগীর ব্যবহৃত থালা-বাসনের মাধ্যমে জীবাণু বিস্তার লাভ করে।
৭। রোগীর ক্ষুদ্রান্ত্রের মিউকোসাতে এই জীবাণু এন্টেরোটক্সিন বা কলেরাজেন নামক বিষাক্ত টক্সিন নিঃসরণ করে। এই টক্সিন পায়খানার সাথে বের হয় এবং পরিবেশে জীবাণু ছড়ায়।