১। শুক্রাশয়ঃ ইহা পুংজননতন্ত্রের মুখ্য অঙ্গ। দেহের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম খন্ডকে শুক্রাশয় অবস্থিত। প্রতিটি
শুক্রাশয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফলিকল (৩০-৪০) দ্বারা গঠিত হয়। ফলিকলের ভিতরে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। শুক্রাণু গুলো ভাসা ইফারেনসিয়া নামক নালিকার মাধ্যমে বের হয়।
২। শুক্রনালীঃ শুক্রাশয়ের পিছনের দিকে সাদা, স্থিতিস্থাপক ও সরু সুতার মতো শুক্রনালী থাকে। ইহা শুক্রাণু বহন করে।
৩। শুক্রাধারঃ প্রতিটি শুক্রনালীর শেষ প্রান্ত স্ফীত হয়ে থলীর মতো গঠন সৃষ্টি করে। একে শুক্রাধার বলে। এতে সাময়িক সময়ের জন্য শুক্রাণু জমা থাকে।
৪। ক্ষেপন নালীঃ দুটি শুক্রনালী নবম খন্ডকে মিলিত হয়ে ক্ষেপননালী গঠন করে। এর মাধ্যমে শুক্রাণু জনন থলীতে প্রবেশ করে।
৫। জনন থলীঃ পুংজননতন্ত্রে বিদ্যমান ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠ হলো জনন থলী। এতে শুক্রাণু অবস্থান করে।
৬। জননছিদ্রঃ জনন থলীর ছিদ্রকে জননছিদ্র বলে। এর মধ্য দিয়ে শুক্রাণু দেহের বাইরে নির্গত হয়।
৭। সহায়ক গ্রন্থিঃ পুংজননতন্ত্রে লম্বা নালিগুচ্ছবিশিষ্ট একজোড়া সহায়ক গ্রন্থি থাকে। ইহা ক্ষেপন নালিতে উন্মুক্ত হয়। এই গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত তরলে শুক্রাণু নিমজ্জিত থাকে এবং পুষ্টি গ্রহণ করে।