জিনোম সিকোয়েন্সিং ।। জিনোম সিকোয়েন্সিং আবিষ্কার

জার্মান উদ্ভিদ বিজ্ঞানী হ্যান্স উনঙ্কলার (Hans Winkler, ১৯২০) সর্বপ্রথম জিনোম শব্দটি ব্যবহার করেন। ১৯৭৬ সালে সর্বপ্রথম MS-2 ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়। ১৯৭৭ সালে ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার (Dr. F. Sanger) DNA-এর সিকুয়েন্সিং পদ্ধতির সূচনা ঘটান এবং প্রথম জীব হিসেবে ব্যাকটেরিওফায-এর জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করেন। ২০২০ সালে জিনোম সম্পাদনা পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী ইমানুয়েল কার্পেন্টার এবং মার্কিন বিজ্ঞানী জেনিফার এ. ডৌডানাকে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। তাদের প্রযুক্তির নাম হলো ক্রিসপার ক্যাস নাইল জেনেটিক সিজার্স।

DNA অণুর নিউক্লিওটাইডের নির্দিষ্ট অণুক্রমকে সিকোয়েন্স বলে। যে প্রক্রিয়ায় DNA-এর নিউক্লিওটাইড বা সিকোয়েন্স নির্ণয় করা হয় তাকে জিনোম সিকোয়েন্সিং বলা হয়। বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম এবং তাঁর সহযোগীরা তোষা পাটের জিনোম সিকুয়েন্সিং বা জীবনরহস্য উৎঘাটন করেছেন। পাটের বেস পেয়ার ১২ কোটি। Paris japonica-এর জিনোম উদ্ভিদজগতে দীর্ঘতম। এতে ১৫০ বিলিয়ন বেস পেয়ার থাকে। এর একটি কোষের জেনেটিক তথ্যের দৈর্ঘ্য ৩২৮ ফুট। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং তাঁর সহযোগী দল RNAi পদ্ধতি ব্যবহার করে মুগ ডালের হলুদ মোজাইক ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং সম্পন্ন করেছেন। জিনোম সিকুয়েন্সিং এর প্রবর্তক হলো ড. সানজার (Dr. F. Sanger).

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Dr. Abu Bakkar Siddiq