১। জিনোম স্ক্যানিংঃ জিনোম স্ক্যানিং দ্বারা স্বল্প সময়ে খুব দ্রুত যে কোন জীবের সম্পূর্ণ জিনোম জানা যাবে। ক্রোমোজোমে বিদ্যমান নিষ্ক্রিয় জিনের (৯৭%) তথ্য উদঘাটন করা যাবে।
২। স্টেম সেলঃ স্টেম সেল দেহের যে কোন অঙ্গের কোষ তৈরী করতে সক্ষম হবে। তাই নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ অন্য প্রাণীর দেহে পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে না। এছাড়া বিভিন্ন দুর্ঘটনায় হারানো অঙ্গ প্রতিস্থাপন সহজ হবে।
৩। জিন থেরাপি এবং RNAiঃ জিন থেরাপির মাধ্যমে রোগ সৃষ্টিকারী জিনকে সুস্থ জিন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়। বংশগত রোগ, ক্যান্সার এবং কিছু সংক্রামক জটিল রোগের চিকিৎসায় জিন থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। এসব জিনের বাহক হিসেবে ভাইরাস, RNAi, অ্যান্টিসেন্স বা জিঙ্ক ফিঙ্গার প্রোটিন ব্যবহার করা হয়।
৪। মাইক্রো RNAঃ মাইক্রো RNA রোগ সৃষ্টিকারী জিনের কাজকে প্রতিরোধ করতে পারে। মাইক্রো RNA দ্বারা ক্যান্সার, ভাইরাস সংক্রমণ, বিপাক সমস্যা এবং প্রদাহজনিত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়।
৫। জিন ক্লোনিংঃ জিন ক্লোনিং বা DNA রিকম্বিনেন্ট দ্বারা মানুষের জন্য মঙ্গলজনক ও কল্যাণকর বস্তু তৈরী করা হয়।
৬। GM অণুজীবঃ GM অণুজীব ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমানো হচ্ছে। এ সব অণুজীব পরিবেশ বান্ধব।
৭। ন্যানোটেকনোলজিঃ ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে পদার্থের আণবিক পরিবর্তন ঘটিয়ে মানুষের প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরী করা হয়। এই প্রযুক্তি স্বাস্থ্যপদ এবং নিরাপদ।
৮। কৃষকের অর্থনৈতিক সাশ্রয়ঃ জীবপ্রযুক্তি কৃষকের জমি চাষ, বীজ বপন, চারা রোপন, বালাইনাশকের ব্যবহার , ফসল সংগ্রহ ও সংরক্ষণে ব্যাপক সহায়ক।