গাছের পাতা, ফুল, ফল ও কান্ডের টিস্যু ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া বা মারা যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়াকে ব্লাইট বলে। ধানের ব্লাইট রোগকে পাতা পোড়া রোগ বা ধসা রোগ বলা হয়। জাপানের কৃষকেরা সর্বপ্রথম এই রোগের সন্ধান পান। জাপানে এ রোগটি ধানের সাদা শুষ্ক রোগ নামে পরিচিত। বাংলাদেশে ১৯৮৬ সালে রোপা আমন ধানে এই রোগের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ১৯০৮ সালে জাপানি বিজ্ঞানী টাকায়েসি (Takaeshi) প্রমাণ করেন এটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ। এ রোগে জাপানে প্রতি বছর ২২,০০০-১১০,০০০ টন ধান উৎপাদন কম হয়।
ধানের ব্লাইট রোগের কারণঃ Xanthomonas oryzae নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ধানের লিফ ব্লাইট রোগ হয়।
ইহা একটি দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া। এরা গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া। এরা স্পোর উৎপন্ন করে না। এদের কোষে ক্যাপসুল থাকে না। এদের একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলাম থাকে।