(i) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরীর কাঁচামাল কার্বন ডাই অক্সাইড পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে কোষে প্রবেশ করে। কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে শর্করা উৎপন্ন হয়। যে উদ্ভিদে পাতার সংখ্যা বেশি সে উদ্ভিদে পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা বেশি থাকে। এ কারণে কার্বন ডাই অক্সাইড সরবরাহ বেশি হয় এবং খাদ্য উৎপাদন বেড়ে যায়।
(ii) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হলো পানি। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়। ফলে পানির প্রবাহ তৈরী হয় এবং বিভিন্ন কোষে পানি প্রবেশ করে। এই পানি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার হয়।
(iii) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরীর পর উপজাত পদার্থ হিসেবে নির্গত অক্সিজেন পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। সালোকসংশ্লেষণে অক্সিজেন অপ্রয়োজনীয় উপাদান। ইহা সালোকসংশ্লেষণের হারকে হ্রাস করে। পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে অক্সিজেন বেরিয়ে গেলে খাদ্য উৎপাদন ত্বরান্বিত হয়।
(iv) প্রতিটি পত্ররন্ধ্রে দু’টি করে রক্ষীকোষ থাকে। রক্ষীকোষে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। এই ক্লোরোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরী করে।
(v) পত্ররন্ধ্রের চারিদিকে সবুজ বর্ণের সহকারী কোষ থাকে। সহকারী কোষের ক্লোরোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরীতে অংশ গ্রহণ করে।