স্বাভাবিক বা বিশ্রামবস্থায় পেশির বিরতিহীন সঙ্কোচনকে পেশিটান বা Tonicity বলে। পেশি কন্ডরা দ্বারা অস্থির সাথে যুক্ত থাকে। প্রতিটি অঙ্গ সঞ্চালনের জন্য দুই ধরনের পেশির প্রয়োজন হয়। এই পেশি দুটিকে একত্রে অ্যান্টাগোনিস্টিক পেশি বলে। অঙ্গ সঞ্চালনের সময় একটি পেশী সংকুচিত হয় এবং অপর পেশিটি প্রসারিত হয়। অর্থাৎ একটি পেশি খাটো হলে বিপরীত পেশিটি লম্বা হয়। হাতের হিউমেরাসের সাথে দুই ধরনের পেশী যুক্ত থাকে। বাইসেপস পেশি ও ট্রাইসেপস পেশি। হাত উপরে উঠানোর সময় বাইসেপস পেশি সংকুচিত হয় এবং ট্রাইসেপস পেশি প্রসারিত হয়। এ সময় পেশিতে কোন ধাঁক্কা অনুভূত হয় না। আবার, হাত নিচে নামানোর সময় বাইসেপস পেশি প্রসারিত হয় এবং ট্রাইসেপস পেশি সংকুচিত হয়। এ সময়ও পেশিতে কোন ধাঁক্কা লাগে না। শুধু মাত্র পেশি গুলোতে টান লাগে।
পেশিতে অ্যাকটিন ও মায়োসিন প্রোটিন থাকে। এসব প্রোটিন পেশির একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এবং পেশিকে টানতে পারে। এ থেকে বুঝা যায় যে, পেশীতে শুধু মাত্র টান পড়ে, কিন্তু ধাক্কা লাগে না।