১। আলোঃ প্রখর সূর্যালোক বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা হ্রাস পায়। এতে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়। নীল আলো পত্ররন্ধ্র খোলা ত্বরান্বিত করে। কিছু CAM উদ্ভিদে (আনারস) রাতে পত্ররন্ধ্র খোলা থাকে।
২। আপেক্ষিক আর্দ্রতাঃ বায়ুমন্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম হলে পত্ররন্ধ্র দ্রুত খোলে। আবার বায়ুমন্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
৩। বায়ুমন্ডলের চাপঃ বায়ুমন্ডলের চাপ কম থাকলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায় এবং বায়ুমন্ডলের চাপ বেশি থাকলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
৪। পটাশিয়াম আয়নঃ পটাশিয়াম আয়ন পত্ররন্ধ্র খুলতে সাহায্য করে।
৫। পানিঃ রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায় এবং পানি বেরিয়ে গেলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
৬। তাপমাত্রাঃ উচ্চ তাপমাত্রায় পত্ররন্ধ্র প্রশস্ত হয় এবং নিম্ন তাপমাত্রায় পত্ররন্ধ্র সরু হয়। তাই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
৭। হরমোনের প্রভাবঃ সাইটোকাইনিন, অ্যাবসিসিক এসিড প্রভৃতি হরমোন পত্ররন্ধ্র খুলতে সাহায্য।
৮। বায়ুতে CO2 এর ঘনত্বঃ CO2 পত্ররন্ধ্র খুলতে সাহায্য করে। কিন্তু CO2-এর ঘনত্ব অধিক হলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।