১। প্রোটিন কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত।
২। প্রোটিনে সালফার, ফসফোরাস, লোহা ও তামা থাকে।
৩। প্রোটিনের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন ঘটে।
৪। প্রোটিন স্বাদহীন বা বর্ণহীন জৈব রাসায়নিক পদার্থ।
৫। কিছু প্রোটিন পানিতে এবং কিছু লবণে দ্রবণীয়।
৬। কিছু ক্ষার বা এসিড দ্রবণে এবং কিছু অ্যালকোহল দ্রবণে দ্রবীভূত হয়।
৭। প্রোটিন কলয়েড প্রকৃতির।
৮। প্রোটিন হলো বৃহদাকার এবং উচ্চ আণবিক জৈব যৌগ।
৯। এদের আণবিক ওজন ৫,০০০-৫০,০০,০০০ ডাল্টন। ইনসুলিনের আণবিক ওজন ৬,০০০ ডাল্টন।
১০। প্রোটিনকে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
১১। প্রোটিনে ক্ষারীয় গ্রুপ ও অম্লীয় গ্রুপ থাকে বলে উভধর্মী হয়। এসিড এবং ক্ষার উভয় গুণ থাকার জন্য একে অ্যাম্ফোটেরিক (amphoteric) প্রোটিন বলা হয়।
১২। প্রোটিন দ্রবণে নিনহাইড্রিন যোগ করে তাপ প্রয়োগ করলে লাল বর্ণ ধারণ করে।
১৩। এসিড প্রয়োগ করলে প্রোটিন তঞ্চিত বা জমাট বাঁধে এবং আণবিক গঠনের পরিবর্তন হয়।
১৪। ইহা তড়িৎধর্মী বা বাফার দ্রবণ হিসেবে কাজ করে।
১৫। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ও সোডিয়াম সালফেট দ্রবণে প্রোটিন অধঃক্ষিপ্ত হয়।
১৬। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে প্রোটিন ভেঙ্গে NH3, CO2 ও H2O উৎপন্ন হয়।
১৭। প্রোটিনকে বিভিন্ন ভাবে অধঃক্ষিপ্ত করা যায়।