আলোর উপস্থিতিতে পানির অণু ভেঙ্গে আক্সিজেন (O2), প্রোটন (H+) ও ইলেকট্রন (e–) উৎপন্ন হওয়াকে ফটোলাইসিস বলে। একে ফটো অক্সিডেশনও বলা হয়। যে ক্লোরোফিল ইলেকট্রন হারিয়ে ফেলে সেই ক্লোরোফিল ইলেকট্রন ফিরে পাওয়ার জন্য পানির অণুর ফটোলাইসিস বা অক্সিডেশন ঘটায়। প্রোটন NADP এর সাথে যুক্ত হয়ে আত্তীকরণ শক্তি NADPH+H+ উপন্ন করে। ফটোলাইসিস না ঘটলে আত্তীকরণ শক্তি উৎপন্ন হবে না। বায়োলজিতে সবচেয়ে শক্তিশালী অক্সিডেন্ট হলো P680+।
এনজাইম, Mn++ এবং Cl– আয়নের সহায়তায় দুই অণু পানি (2H2O) বিশ্লেষিত হয়ে চারটি প্রোটন (4H+), চারটি ইলেকট্রন (4e–) এবং এক অণু অক্সিজেন (O2) উৎপন্ন হয়।
2H2O → O2 +4H+ +4e–
শ^সনে NADH+H+ থেকে e– স্বতঃস্ফুর্তভাবে অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে পানি উৎপন্ন করে। ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় শক্তির প্রভাবে ইলেকট্রন পানি থেকে NADP+ তে যায়। শ^সনে উচ্চশক্তির NADH+H+ থেকে অল্প শক্তির পানি তৈরী হয়। আবার ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় অল্প শক্তির পানি থেকে উচ্চশক্তির NADH+H+ তৈরী হয়। অক্সিজেন ও H+ উপজাত হিসেবে উৎপন্ন হয়। দেহে অক্সিজেনের অভাব হলে প্রথমে স্নায়ু কোষের মৃত্যু ঘটে। পানির বিভাজন কেবলমাত্র আলোর উপস্থিতিতে ঘটে থাকে তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে ফটোলাইসিস।