১৯৭৩ সালে বিজ্ঞানী স্ট্রাসবুর্গার (Strasburger) সর্বপ্রথম একটি নিউক্লিয়াস থেকে অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টির ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন। ১৮৭৩ সালে পোল্যান্ডের বিজ্ঞানী ওয়াকলাও মাইজেল (Waclaw Mayzel) ব্যাঙ, খরগোশ ও বিড়ালের কর্ণিয়ার কোষ বিভাজন লক্ষ্য করেন এবং ১৮৭৫ সালে তা বর্ণনা করেন। ১৮৫৫ সালে বিজ্ঞানী রুডলফ ভিরচাও (Rudolf Virchow) সর্বপ্রথম ব্যাখ্যা করেন যে, পূর্ববর্তী কোষ থেকে বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়। ১৮৭৯ সালে বিজ্ঞানী স্লাইডার মাইটোসিস প্রক্রিয়ার পূর্ণ বিবরণ দেন। ১৮৮২ সালে বিজ্ঞানী ওয়াল্টার ফ্লেমিং (Walter Fleming) এর নামকরণ করেন মাইটোসিস। ১৯৬০ সালে ককরাম এবং ম্যাক-ক্লাউলেই (Cockraum & Mac-Caulay) মাইটোসিস কোষ বিভাজনের রাসায়নিক প্রকৃতি ব্যাখ্যা করেন। বিজ্ঞানী হুইটম্যান (Walter Whitman) সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস নামে অ্যাখ্যায়িত করেন।