১। প্রাচীরঃ অ্যালভিওলাসের প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা। পুরু ৪ মাইক্রোমিটার। ইহা চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস কোষ দ্বারা গঠিত। এতে কোলাজেন ও ইলাস্টিন তন্তু আছে। কোলাজেন স্থিতিস্থাপক এবং সংকোচন-প্রসারণ সহজতর করে। ফুসফুসীয় (পালমোনারী) ধমনী থেকে কৈশিক জালিকা সৃষ্টি হয়। কৈশিক জালিকা গুলো অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে বিস্তৃত থাকে এবং পরে মিলিত হয়ে ফুসফুসীয় শিরা গঠন করে।
২। প্রকোষ্ঠঃ অ্যালভিওলাস হলো বুদবুদের মতো বায়ুকুঠুরী বিশেষ। এতে O2 জমা থাকে এবং CO2 নির্গত হয়। গ্যাসের পরিমাণ অনুযায়ী অ্যালভিওলাসের আয়তন কম-বেশি হয়ে থাকে।
৩। সারফেকট্যান্টঃ অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে ডিটারজেন্টের মতো রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এই রাসায়নিক পদার্থ গুলোকে সারফেকট্যান্ট বলে। ইহা অ্যালভিওলাসের প্রাচীরের পৃষ্ঠটান কমিয়ে দেয়। কম পরিশ্রমে ফুসফুসকে সংকুচিত ও প্রসারিত করে। CO2 ও O2 এর দ্রæত বিনিময়ে সাহায্য করে। জীবাণুকে (ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে। ২৩ সপ্তাহ বয়স্ক মানব ভ্রুণে সারফেকট্যান্ট ক্ষরণ শুরু হয়।