উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাসমুহ (Branches of Botany)
১। অঙ্গসংস্থানবিদ্যা বা অ্যানাটমি (Anatomy) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের আকার, আকৃতি ও গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অঙ্গসংস্থানবিদ্যা বা অ্যানাটমি বলে
২। কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি (Cytology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় কোষের আকার, আকৃতি, গঠন, বিভাজন ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি বলে
৩। শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonolmy) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের সনাক্তকরণ, নামকরণ ও শ্রেণীবিন্যাসকরণ নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয় তাকে শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি বলে
৪। উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বা প্লান্টস্ ফিজিওলজি (Plant Physiology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের জৈবিক কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব বা প্লান্টস্ ফিজিওলজি বলে। জৈবিক কার্যাবলী হলো- খনিজ লবণ পরিশোষণ, পানি পরিশোষণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন
৫। বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের বংশগতি, প্রকরণ, জীববৈচিত্র্য, মিউটেশন ও বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স বলে
৬। পরিবেশবিজ্ঞান বা ইকোলজি (Ecology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পরিবেশবিজ্ঞান বা ইকোলজি বলে। পরিবেশের উপাদান হলো- আলো, বাতাস, পানি, তাপমাত্রা, খনিজ উপাদান
৮। জৈব প্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি (Biotecnology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদকে ব্যবহার করে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য মালামাল তৈরী করা হয় তাকে জৈব প্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি বলে। যেমন- ব্লু বায়োটেকনোলজি, গ্রিন বায়োটেকনোলজি, রেড বায়োটেকনোলজি, হোয়াইট বায়োটেকনোলজি
৯। শৈবালবিজ্ঞান বা ফাইকোলজি (Phycology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় শৈবাল নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে শৈবালবিজ্ঞান বা ফাইকোলজি বলে। এই শাখায় শৈবালের গঠন, বৈচিত্র্যতা, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা, মিথোজীবীতা প্রভৃতি আলোচনা করা হয়।
১০। ছত্রাকবিজ্ঞান বা মাইকোলজি (Micology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় ছত্রাক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ছত্রাকবিজ্ঞান বা মাইকোলজি বলে। এই শাখায় ছত্রাকের গঠন, বৈচিত্র্যতা, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা, মিথোজীবীতা প্রভৃতি আলোচনা করা হয়।
১১। উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বা প্লান্টস্ প্যাথোলজি (Plant Pathology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদ রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বা প্লান্টস্ প্যাথোলজি বলে। এই শাখায় উদ্ভিদ রোগের কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার, রোগচক্র, ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় প্রভৃতি আলোচনা করা হয়।
১২। অণুজীববিজ্ঞান বা মাইক্রোবায়োলজি (Micobiology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অণুজীববিজ্ঞান বা মাইক্রোবায়োলজি বলে। এর আলোচ্য বিষয় হলো অণুজীবের গঠন, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা
১৩। ভাইরাসবিদ্যা বা ভাইরোলজি (Virology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় ভাইরাস নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভাইরাসবিদ্যা বা ভাইরোলজি বলে। এর আলোচ্য বিষয় হলো- ভাইরাসের গঠন, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা
১৪। ব্যাকটেরিয়াবিদ্যা বা ব্যাকটেরিওলজি (Bacteriology) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় ব্যাকটেরিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ব্যাকটেরিয়াবিদ্যা বা ব্যাকটেরিওলজি বলে। আলোচ্য বিষয় হলো- ব্যাকটেরিয়ার গঠন, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা