১। এনজাইম হলো এক ধরনের প্রোটিন।
২। ইহা কোষে কলয়েড হিসেবে অবস্থান করে।
৩। ইহা রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতিকে ত্বরান্বিত করে এবং বিক্রিয়া শেষে অপরিবর্তিত থাকে।
৪। এনজাইম তাপ প্রবণ, অর্থাৎ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এনজাইমের কার্যকারীতা বৃদ্ধি পায়। এনজাইম ৩৫-৪০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয়।
৫। এনজাইমের কার্যকারীতা pH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সকল এনজাইম pH ৫-৯ এর মধ্যে অধিক ক্রিয়াশীল।
৬। এনজাইমের কার্যকারীতা সুনির্দিষ্ট, অর্থাৎ নির্দিষ্ট এনজাইম নির্দিষ্ট সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে।
৭। এনজাইমের অণু সাবস্ট্রেট অণু অপেক্ষা বড়।
৮। এনজাইম হলো বৃহৎ অণু এবং অধিক আণবিক ওজন বিশিষ্ট।
৯। এনজাইমের ক্রিয়া সাবস্ট্রেটের ঘনত্বের সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
১০। প্রখর আলোর (অতিবেগুনি রশ্মি) প্রভাবে এনজাইমের কার্যকারীতা নষ্ট হয়।
১১। এনজাইম কেবল জীবিত কোষেই উৎপন্ন হয় এবং এর কার্যকারীতার জন্য পানি প্রয়োজন।
১২। এনজাইমের কার্যকারীতা এদের ত্রিমাত্রিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয়।
১৩। এনজাইম শুধুমাত্র জীবিত কোষে উৎপন্ন হয়। এর কার্যকারীতার জন্য পানি প্রয়োজন হয়।
১৪। ইহা পানি, গ্লিসারল ও লঘু অ্যালকোহলে দ্রবণীয়।