১। সর্বদা বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে নিতে হবে।
২। বাসি, পচা ও খোলা খাবার বর্জন করতে হবে। অপরিশোধিত কাঁচা শাকসবজি খাওয়া পরিহার করতে হবে।
৩। রোগীর ভেদ-বমি থেকে মাছির মাধ্যমে গৌণ সংক্রমণ ঘটে। তাই খাবার সব সময় ঢেকে রাখতে হবে।
৪। খাবার আগে এবং পায়খানার পরে সাবান বা ছাই দিয়ে হাত ভাল ভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
৫। ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে হবে। পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৬। রোগীর কাপড় ও বিছানাপত্র সিদ্ধ করে রোদে শুকাতে হবে।
৭। রোগীকে পৃথক রাখতে হবে। রোগীর মল-মূত্র শোধন করতে হবে।
৮। রোগীকে সেবাদানকারী এবং রোগের জীবাণু বাহককে চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসা দিতে হবে।
৯। কলেরার ভ্যাক্সিন দিতে হবে। বর্তমানে কলেরার ডাকওরাল ভ্যাক্সিন পাওয়া যায়।
১০। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।