১। নিয়মিত নাড়ীর গতি পর্যবেক্ষণ এবং ওষুধ সেবন করতে হবে।
২। কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপনের পর কমপক্ষে আট সপ্তাহ দৌড়-ঝাঁপ, লাফালাফি ও ব্যায়াম করা যাবে না।
৩। বুকে যে স্থানে পেসমেকার লাগানো থাকে সেখানে চাপ না দেয়া।
৪। পেসমেকারের নিকটে সেলুলার ফোন না রাখা।
৫। বুকের যে দিকে পেসমেকার বসানো থাকে তার বিপরীত দিক থেকে মোবাইল ফোন রিসিভ করা।
৬। নিরাপত্তার জন্য সব সময় পেসমেকার সংক্রান্ত পরিচিত কার্ড বহন করা।
৭। মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও বৈদ্যুতিক জেনারেটর ব্যবহারের সময় সতর্ক হতে হবে।
৮। এক্স-রে ও MRI মেশিনে শরীর পরীক্ষা করার সময় সাবধান থাকতে হবে।