কোষচক্র নিয়ন্ত্রণ ।। Regulation of cell cycle

১। সাইক্লিন-Cdk যৌগঃ কোষের ভিতরে সাইক্লিন- cdk যৌগ কোষচক্রের বিভিন্ন দশার পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করে।

২। সাইক্লিন- Cdk-MPFঃ যে কোষ বিভাজিত হবে তার  সাইক্লিন- cdk যৌগের সাথে MPF যুক্ত হয়ে কোষচক্র শুরুর নির্দেশ প্রদান করে।

৩। P53 প্রোটিনঃ কোন কারণে DNA ক্ষতিগ্রস্ত হলে P53 প্রোটিন কোষচক্র বন্ধ করে দেয়। DNA ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে P53 প্রোটিন অ্যাপোপটোসিস ক্রিয়ায় কোষের মৃত্যু ঘটায়।

৪। P27 প্রোটিনঃ P27 প্রোটিন সাইক্লিন- cdk যৌগের সাথে যুক্ত হয়ে কোষকে সংশ্লেষ দশায় প্রবেশে বাধা দেয়। কোষে উচ্চ মাত্রায় P27 প্রোটিন মহিলাদের স্তন ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

৫। সাইক্লিনঃ কোষচক্রের নিয়ন্ত্রক হলো সাইক্লিন প্রোটিন। Timothy Hunt (1982) সাইক্লিন প্রোটিন আবিষ্কার করেন। এজন্য Timothy Hunt, Lee Hartwell ও Paul Nurse-কে ২০০১ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। মানুষের কোষে চার প্রকার সাইক্লিন থাকে।

(i) সাইক্লিন- Dঃ সাইক্লিন-D কোষকে G1 থেকে S পর্যায়ে এবং S পর্যায় থেকে G2 পর্যায়ে নিয়ে যায়।

(ii) সাইক্লিন- Eঃ সাইক্লিন-E কোষকে S পর্যায়ে DNA রেপ্লিকেশনের জন্য প্রস্তুত করে।

(iii) সাইক্লিন-Aঃ সাইক্লিন-A কোষের S পর্যায়ে DNA রেপ্লিকেশন সক্রিয় ও ত্বরান্বিত করে।

(iv) সাইক্লিন-Bঃ সাইক্লিন-B মাইটোসিস প্রক্রিয়ার জন্য স্পিন্ডলতন্তু তৈরী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *