বিপাকীয় ভাবে সক্রিয় কোষের বৃদ্ধির দশাকে বিরাম-১ দশা বলে। এ দশাকে অ্যান্টিফেজ বলা হয়। যে কোষটি আর বিভাজিত হবে না তা এক সপ্তাহ বা এক বছর বা আমৃত্যু G1 উপপর্যায়ে আবদ্ধ থাকে। বিরাম-১ দশার বৈশিষ্ট্য হলো-
(i) এই দশায় কোষচক্র সূচনা হয়।
(ii) কোনো কোষ বিভাজনে অংশ গ্রহণ করবে কিনা তা এ পর্যায়ের উপর নির্ভর করে।
(iii) এই উপপর্যায়ে সাইক্লিন প্রোটিন, গ্লোবিউলার প্রোটিন, ফাইব্রাস প্রোটিন ও RNA উৎপন্ন হয়।
(iv) সাইক্লিন প্রোটিন CDK এর সাথে যুক্ত হয়ে প্রক্রিয়ার গতি ত্বরান্বিত ও নিয়ন্ত্রণ করে। CDK ফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
(v) DNA ও প্রোটিন তৈরীর জন্য এনজাইম উৎপন্ন হয়।
(vi) কোষের সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসের আকৃতি বৃদ্ধি পায়।
(vii) বিভিন্ন নিউক্লিওটাইড ও অ্যামাইনো এসিডের সংশ্লেষণ ঘটে।
(viii) এ দশায় কোষীর অঙ্গাণুগুলো সংখ্যায় দ্বিগুণ হয়।
(ix) এ উপপর্যায়ে সময় লাগে ৩০-৪০%।