ঘাস ফড়িং শাক সবজি ও লতাপাতা খায়। ম্যান্ডিবল ও ম্যাক্সিলা দ্বারা খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হয়। এরপর লালারসের সাথে মিশে পিচ্ছিল হয়। পৌষ্টিকনালীর বিভিন্ন অংশ দ্বারা খাদ্য পরিপাক নিচে আলোচনা করা হলো
১। ক্রপে পরিপাকঃ লালা মিশ্রিত খাদ্য ক্রপের প্রাচীরের সংকোচন ও প্রসারণের কারণে ছোট ছোট কণায় পরিনত হয়। অ্যামাইলোলাইটিক (ইনভার্টেজ, ম্যাল্টেজ, ল্যাক্টেজ) এনজাইমের প্রভাবে শর্করা জাতীয় খাদ্য গ্লুকোজে পরিনত হয়। প্রোটিওলাইটিক (ট্রিপসিন, প্রোটিয়েজ, পেপটাইডেজ) এনজাইমের প্রভাবে প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডে পরিনত হয়। লাইপোলাইটিক এনজাইম লিপিডকে ফ্যাটি এসিড ও গিøসারলে পরিনত করে।
২। গিজার্ডে পরিপাকঃ গিজার্ডের সংকোচণ ও প্রসারণের ফলে খাদ্যবস্তু অত্যন্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিনত হয়।
৩। মেসেন্টেরনে পরিপাকঃ মধ্য পৌষ্টিকনালীর হেপাটিক সিকা থেকে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম নিঃসৃত হয়। এ সব এনজাইম খাদ্য পরিপাক করে।
(i) ট্রিপসিন এনজাইমের প্রভাবে প্রোটিন ভেঙ্গে পেপটাইডে পরিনত হয়। পেপটাইড পরে ইরেপসিন এনজাইমের সহায়তায় ভেঙ্গে অ্যামাইনো এসিডে পরিনত হয়।
(ii) অ্যামাইলেজ এনজাইমের প্রভাবে শর্করা ভেঙ্গে মল্টোজে পরিনত হয়। মল্টোজ পরে মলটেজ এনজাইমের সহায়তায় ভেঙ্গে গ্লুকোজে পরিনত হয়।
(iii) লাইপেজ এনজাইমের প্রভাবে লিপিড ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গিøসারলে পরিনত হয়।
খাদ্যসার শোষণঃ মেসেন্টেরন ও হেপাটিক সিকার প্রাচীরে শোষণকারী কোষ থাকে। এসব কোষ অধিকাংশ খাদ্যসার শোষণ করে। অধিকাংশ গ্লুকোজ শোষিত হয় হেপাটিক সিকায়। রেকটামের প্রাচীর মল থেকে অতিরিক্ত পানি, খনিজলবণ ও অ্যামাইনো এসিড শোষণ করে। দানা আকৃতির মল পায়ুপথে নিষ্কাশিত হয়।