১। দুই রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ জীববিজ্ঞানের জনক গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল জীবজগতকে দুইটি রাজ্যে বিভক্ত করেন। উদ্ভিদ রাজ্য এবং প্রাণী রাজ্য। থিয়োফ্রাস্টাস থেকে ক্যারোলাস লিনিয়াস পর্যন্ত এই দুই রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ১৯৭২ সালে Altman এবং Dittmar উদ্ভিদ রাজ্যে ব্যাকটেরিয়া অন্তর্ভুক্ত করে।
২। তিন রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ বিজ্ঞানী কুরটিস (১৯৬৮), স্ট্যানিয়ার (১৯৭০) এবং ড্যাডসন (১৯৭১) জীবজগতের তৃতীয় রাজ্য Protista প্রস্তাব করেন। গ্রিক শব্দ protistos অর্থ সর্বপ্রথম থেকে Protista নামকরণ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া, প্রোটিস্টা এবং স্পঞ্জ Protista রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রস্তাবিত তিনটি রাজ্য হলো- Protista, Plantae ওI Animalia।
৩। চার রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানী Copeland প্রোটিস্টা থেকে ব্যাকটেরিয়া পৃথক করে Monera রাজ্য প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবিত চারটি রাজ্য হলো- Monera, Protista, Plantae ও Animalia।
৪। পঞ্চ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৬৯ সালে বিজ্ঞানী Whittaker প্ল্যান্টি থেকে ছত্রাক পৃথক করে Fungi রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৪ সালে মারগিউলিস Fungi রাজ্য স্বীকৃতি দেন। প্রস্তাবিত পাঁচটি রাজ্য হলো- Monera, Protista, Fungi, Plantae ও Animalia|
৫। ষষ্ঠ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৭০ দশকের শেষদিকে মনেরা রাজ্যকে পৃথক দুইটি রাজ্যে ভাগ করা হয়। আর্কিব্যাকটেরিয়া (Archaebacteria) এবং ইউব্যাকটেরিয়া (Eubacteria)। ষষ্ঠ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসে জীবজগতকে তিনটি অধিরাজ্যে (Domain) বিভক্ত করা হয়েছে। আর্কিয়া (Archaea), ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) এবং ইউক্যারিয়া (Eukarya)। ডোমেইন আর্কিয়া-এর রাজ্য Archaebacteria, ব্যাকটেরিয়া-এর রাজ্য Eubacteria এবং ইউক্যারিয়া-এর রাজ্য Protista, Fungi, Plantae ও Animalia।