ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়

১। সেরোলজিঃ রক্ত পরীক্ষায় IgM অ্যান্টিবডি উপস্থিত থাকতে পারে। তীব্র সংক্রমিত রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ বেড়ে চার গুণ পর্যন্ত হতে পারে। রক্তে বিশেষ অ্যান্টিবডির উপস্থিতি নির্ণয় করে ডেঙ্গু শনাক্ত করা হয়।

২। প্লেটলেট টেস্টঃ রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা ,৫০,০০০/ mm3 এর অনেক নিচে নেমে যায়। রক্তের অণুচক্রিকা গণনা বা প্লেটলেট কাউন্ট করে ডেঙ্গু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেয়া হয়।

৩। সেল কালচারঃ সংক্রমিত দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। রক্তকণিকা কালচার করে ভাইরাস শনাক্ত করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *