১। সুস্থ, সবল, রোগমুক্ত ও রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করতে হবে। লিফ ব্লাইট প্রতিরোধী উচ্চ ফলনশীল জাত হলো Xa4, Xa5, Xa13, Xa21, Xa33, Xa38 প্রভৃতি।
২। বীজ বপনের পূর্বে ছত্রাকনাশক দ্বারা শোধন করে নিতে হবে। বিøচিং পাউডার (100 mg/ml) এবং জিঙ্ক সালফেট (২%) দিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে।
৩। রোগাক্রান্ত পাতায় স্ট্রেপটোসাইক্লিন স্প্রে করলে সুফল পাওয়া যায়।
৪। জমির আগাছা এবং আবর্জনা ধ্বংস বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। ধানের খড় এবং গজানো অন্য চারা সরিয়ে ফেলতে হবে।
৫। বীজ বপনের পূর্বে জমি ভালভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।
৬। রোগাক্রান্ত জমিতে ফিনাইল সালফিউরিক এসিটেট এবং এম. ক্লোরামফেনিকল ১০-২০ লিটার পরিমাণ প্রয়োগ করতে হবে।
৭। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮। উচু জমিতে বীজতলা তৈরী করতে হবে। চারা থেকে চারার দূরত্ব এবং লাইন থেকে লাইনের দুরত্ব বিজ্ঞানসম্মত হতে হবে।
৯। জমিতে কপার অক্সিক্লোরাইড ছড়ায়ে জীবাণু মুক্ত করতে হবে।
১০। সেচের পানির সাথে ক্লোরিন বা বিø¬চিং পাউডার প্রয়োগ করতে হবে।
১১। নাইট্রোজেন সার সময় মতো সঠিক পরিমাণে প্রয়োগ করতে হবে। বেশি মাত্রায় ব্যবহার করা যাবে না।
১২। রোগাক্রান্ত ধান গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
১৩। বীজ বপনের আগে ০.১% সিরিসান (Sirisan) দ্রবণে ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে বীজবাহিত সংক্রমণ রোধ করা হয়।
১৪। কোয়ারেন্টাইন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।