মায়োসিস-১ দশায় ক্রোমোসোম এবং মায়োসিস-২ দশায় ক্রোমাটিড স্বাভাবিকভাবে পৃথকীকরণ না হলে তাকে নন-ডিসজাংশন বলে। নন-ডিসজাংশনের কারণে জননকোষে কোন ক্রোমোসোম অনেক বেশি অথবা অনেক কম থাকে। কোহেসিন প্রোটিনের কারণে ডিম্বাণুতে নন-ডিসজাংশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। নন-ডিসজাংশনের কারণে মানব শিশুর জিনগত যেসব অস্বাভাবিকতা দেখা যায় তা হলো-
১। পাটাও সিনড্রমঃ মানুষের ১৩নং ক্রোমোসোমে ট্রাইসোমি ঘটলে পাটাও সিনড্রম হয়।
২। এডওয়ার্ড সিনড্রমঃ মানুষের ১৮নং ক্রোমোসোমে ট্রাইসোমি ঘটলে এডওয়ার্ড সিনড্রম হয়।
৩। ডাউন সিনড্রমঃ মানুষের ২১নং ক্রোমোসোমে ট্রাইসোমি ঘটলে ডাউন সিনড্রম হয়।
৪। ক্লিনফেল্টার সিনড্রমঃ পুরুষের জাইগোটে X ক্রোমোসোম বেশি থাকলে ক্লিনফেল্টার সিনড্রম হয়। (XXY)
৫। XYY সিনড্রমঃ পুরুষের জাইগোটে একটি Y ক্রোমোসোম বেশি থাকলে XYY সিনড্রম হয়।
৬। টার্নার সিনড্রমঃ মহিলাদের জাইগোটে একটি X ক্রোমোসোম কম থাকলে টার্নার সিনড্রম হয়।
৭। ট্রিপল X সিনড্রমঃ মহিলাদের জাইগোটে একটি X ক্রোমোসোম বেশি থাকলে ট্রিপল X সিনড্রম হয়। (XXX)