১। পুরুষের জননাঙ্গে জনন মাতৃকোষ থাকে। জনন মাতৃকোষ প্রাইমারী স্পার্মাটোসাইটে পরিনত হয়। প্রতিটি প্রাইমারী স্পার্মাটোসাইট মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে সেকেন্ডারী স্পার্মাটোসাইট গঠন করে। সেকেন্ডারী স্পার্মাটোসাইট মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে স্পার্মাটিড গঠন করে। স্পার্মাটিড গুলো শুক্রাণুতে রুপান্তরিত হয়। মানুষের শুক্রাণুর নিউক্লিয়াসে ২৩টি ক্রোমোসোম থাকে। শুক্রাণু হলো হ্যাপ্লয়েড কোষ এবং ইহা পিতার বৈশিষ্ট্য বহন করে।
২। স্ত্রীজননাঙ্গে জনন মাতৃকোষ থাকে। জনন মাতৃকোষ প্রাইমারী উওসাইটে পরিনত হয়। প্রতিটি প্রাইমারী উওসাইট মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে সেকেন্ডারী উওসাইট সৃষ্টি করে। সেকেন্ডারী উওসাইট মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে উওটিড গঠন করে। প্রতিটি উওটিড ডিম্বাণুুতে পরিনত হয়। মানুষের ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসে ২৩টি ক্রোমোসোম থাকে। ডিম্বাণু হলো হ্যাপ্লয়েড কোষ এবং ইহা মাতার বৈশিষ্ট্য বহন করে।
৩। নিষেক প্রক্রিয়ায় শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। নিষেকের পর শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস স্ফীত হয়ে প্রোনিউক্লিয়াস গঠন করে। প্রোনিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে। জাইগোটে পিতা–মাতার বৈশিষ্ট্যের মিশ্রণ ঘটে। জাইগোটের মাধ্যমেই পিতা–মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তান–সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়।
৪। জাইগোট বার বার বিভাজিত হয়ে ভ্রুণে পরিনত হয়। ভ্রুণ থেকে নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি হয়। নতুন প্রজন্মে পিতা–মাতার বৈশিষ্ট্যের সমাবেশ ঘটে। এভাবে পিতা–মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তান–সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়।