গ্রিক শব্দ zoon অর্থ animal বা প্রাণী এবং logos অর্থ knowlege বা জ্ঞান নিয়ে Zoology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আকার, আচরণ, আকৃতি, গঠন, শারীরবৃত্ত, বাসস্থান, প্রজনন, উৎপত্তি, বিস্তৃতি, খাদ্য গ্রহণ, বংশবৃদ্ধি, শ্রেণীবিভাগ, জীবনচক্র, অভিযোজন, বিবর্তন, অর্থনৈতিক গুরুত্ব প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয় তাকে প্রাণীবিজ্ঞান (Zoology) বলে। গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল (Aristotle)-কে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক (Father of Zoology) বলা হয়।
১। প্রাণীবিজ্ঞানের বিশুদ্ধ শাখা (Pure branches of Zoology)
প্রাণীবিজ্ঞানের যে সব শাখায় প্রাণী সম্পর্কিত তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৌলিক বা বিশুদ্ধ শাখা বলে।
(i) অঙ্গসংস্থানবিদ্যা (Morphology)ঃ গ্রিক শব্দ morphe অর্থ আকার এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Morphology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের আকার, আকৃতি ও গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অঙ্গসংস্থানবিদ্যা বা মরফোলজি বলে। জীবদেহের বাহ্যিক গঠন আলোচনা করাহলে তাকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অন্তর্গঠন আলোচনা করা হলে তাকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(ii) শারীরস্থানবিদ্যা (Anatomy)ঃ গ্রিক শব্দ ana অর্থ ওপরে এবং temno অর্থ কাটা নিয়ে Anatomy শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের অন্তর্গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে শারীরস্থানবিদ্যা বা অ্যানাটমি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iii) কোষবিদ্যা (Cytology)ঃ গ্রিক শব্দ kytos অর্থ ফাঁপা এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Cytology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় কোষের আকার, আকৃতি, গঠন, বিভাজন ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iv) কলাস্থানবিদ্যা (Histology)ঃ গ্রিক শব্দ histos অর্থ কলা এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Histology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বিভিন্ন ধরনের কলার আকার, আকৃতি, অবস্থান, গঠন, বিভাজন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(v) ভ্রুণবিদ্যা (Embryology)ঃ গ্রিক শব্দ em অর্থ ভিতরে, bryo অর্থ স্ফীত এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Embryology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় ভ্রুণের গঠন ও বিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভ্রুণবিদ্যা বা এমব্রায়োলজি বলে।
(vi) অভিব্যক্তি (Evolution)ঃ ল্যাটিন শব্দ E অর্থ বাহির evolvere অর্থ আবর্তন। Evolvere নামক শব্দ থেকে Evolution শব্দটি উদ্ভূত হয়েছে। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অভিব্যক্তি বা ইভোলুশন বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vii) শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy)ঃ গ্রিক শব্দ taxis অর্থ বিন্যাস এবং nomos অর্থ আইন নিয়ে Taxonomy শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের সনাক্তকরণ, নামকরণ ও শ্রেণীবিন্যাসকরণ নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয় তাকে শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(viii) শারীরবিদ্যা (Physiology)ঃ গ্রিক শব্দ physis অর্থ প্রকৃতি এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Physiology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের জৈবিক কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে শারীরতত্ত্ব বা ফিজিওলজি বলে। জৈবিক কার্যাবলী হলো- পুষ্টি, বিপাক, সংবহন, রেচন, শ^সন, ক্ষরণ, জনন প্রভৃতি।
(ix) বংশগতিবিদ্যা (Genetics)ঃ গ্রিক শব্দ genesis অর্থ উৎপত্তি নিয়ে Genetics শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের বংশগতি, প্রকরণ, জীববৈচিত্র্য, মিউটেশন ও বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স বলে।
(x) পরিবেশবিজ্ঞান (Ecology)ঃ গ্রিক শব্দ oikos অর্থ বাড়ি বা আবাস এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Ecology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পরিবেশবিজ্ঞান বা ইকোলজি বলে। পরিবেশের উপাদান হলো- আলো, বাতাস, পানি, মাটি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, খনিজ উপাদান প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xi) প্রত্নজীববিদ্যা (Palaeontology)ঃ গ্রিক শব্দ palaios অর্থ প্রাচীন, ont অর্থ সত্তা এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Palaeontology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবাশ্মঘটিত তথ্য নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে প্রত্নজীববিদ্যা বা প্যালিওন্টোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xii) ভৌগোলিক জীববিদ্যা (Biogeography)ঃ গ্রিক শব্দ bio অর্থ জীব, geo অর্থ ভূ এবং graphin অর্থ লেখা নিয়ে Biogeography শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের ভৌগোলিক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভৌগোলিক জীববিদ্যা বা বায়োজিওগ্রাফি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xiii) রোগতত্ত্ব (Pathology)ঃ গ্রিক শব্দ pathos অর্থ ক্রেশ এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Pathology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রোগতত্ত্ব বা প্যাথোলজি বলে। প্যাথোলজিতে জীবের রোগের কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার, রোগচক্র, ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় প্রভৃতি আলোচনা করা হয়। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xiv) জিনবিদ্যা (Genimics)ঃ জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীন (Gene) সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা হয় তাকে জিনবিদ্যা বা জেনোমিক্স বলে।
(xv) আচরণবিদ্যা (Etholology)ঃ গ্রীক শব্দ ethos অর্থ ব্যবহার এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Ethology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের স্বভাব ও আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে আচরণবিদ্যা বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xvi) অর্থকরী জীববিজ্ঞান (Economic Biology)ঃ জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অর্থকরী জীববিজ্ঞান বা ইকোনমিক বায়োলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
২। প্রাণীবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখা (Specialized Zoology)
প্রাণীবিজ্ঞানের যে সব শাখায় বিশেষ দলভূক্ত প্রাণী সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বিশেষায়িত শাখা বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(i) স্তন্যপায়ীবিদ্যা (Mammalogy)ঃ গ্রিক শব্দ mamma অর্থ স্তন্যপায়ী এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Mammalogy শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় স্তন্যপায়ী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে স্তন্যপায়ীবিদ্যা বা ম্যামালজি বলে।
(ii) মৎস্যবিদ্যা (Ichthyology)ঃ গ্রিক শব্দ ichthys অর্থ মাছ এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Ichthyology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মৎস্য সম্পদ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিদ্যা বা ইকথিওলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iii) পাখিবিদ্যা (Ornithology)ঃ গ্রিক শব্দ ornis অর্থ পাখি এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Ornithology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পাখি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পাখিবিদ্যা বা অর্নিথোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iv) কীটবিদ্যা (Entomology)ঃ গ্রিক শব্দ entomon অর্থ কীটপতঙ্গ এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Entomology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় কীট-পতঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কীটবিদ্যা বা অ্যান্টামোলজি বলে।
(v) কৃমিবিদ্যা (Helminthology)ঃ গ্রিক শব্দ helminth অর্থ কৃমি এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Helminthology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় কৃমি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কৃমিবিদ্যা বা হেলমিনথোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vi) অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology)ঃ গ্রীক শব্দ micro অর্থ ক্ষুদ্র, bio অর্থ জীব এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Microbiology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অণুজীববিজ্ঞান বা মাইক্রোবায়োলজি বলে। মাইক্রোবায়োলজিতে অণুজীবের গঠন, জনন, উপকারীতা, অপকারীতা প্রভৃতি আলোচনা হয়। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vii) কম্বোজবিদ্যা (Malacology)ঃ গ্রিক শব্দ malacos অর্থ মলাস্ক এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Malacology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মলাস্কা পর্বের প্রাণী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কম্বোজবিদ্যা বা মালাকোলজি বলে।
(viii) উভচর ও সরীসৃপবিদ্যা (Herpetology)ঃ গ্রিক শব্দ herpein অর্থ হামাগুড়ি এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Herpetology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় উভচর ও সরীসৃপ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে উভচর ও সরীসৃপবিদ্যা বা হার্পেটোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(ix) প্রোটোজোয়াবিদ্যা (Protozoology)ঃ গ্রিক শব্দ protos অর্থ প্রথম, zoon অর্থ প্রাণী এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Protozoology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রোটোজোয়া নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে প্রোটোজোয়াবিদ্যা বা প্রোটোজুওালজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(x) পরজীবীবিদ্যা (Parasitology)ঃ গ্রিক শব্দ para অর্থ পাশে, sitos অর্থ খাদ্য এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Parasitology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পরজীবী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পরজীবীবিদ্যা বা প্যারাসাইটোলজি বলে।
(xi) বন্যপ্রাণিবিদ্যা (Wildlife biology)ঃ গ্রিক শব্দ wildlife অর্থ বন্যজীব। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বনজঙ্গল এবং অরণ্যে বসবাসকারী প্রাণীদের নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে বন্যপ্রাণিবিদ্যা বা ওয়াইল্ডলাইফ বায়োলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xii) স্বাদুপানির প্রাণিবিজ্ঞান (Freshwater Zoology)ঃ জীববিজ্ঞানের এই শাখায় মিঠাপানির প্রাণী নিয়ে আলোচনা করা হয়। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xiii) লোনাপানির প্রাণিবিজ্ঞান (Marinewater Zoology)ঃ জীববিজ্ঞানের এই শাখায় লোনাপানির প্রাণী নিয়ে আলোচনা করা হয়। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
৩। প্রাণীবিজ্ঞানের ফলিত শাখা (Applied Zoology)
প্রাণীবিজ্ঞানের যে সব শাখায় মানবকল্যাণে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রাণী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ফলিত শাখা বলে।
(i) মৌমাছি পালন (Apiculture)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মৌমাছি পালন, মধু উৎপাদন ও মোম নিষ্কাশন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৌমাছি পালন বা এপিকালচার বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(ii) রেশম চাষ (Sericulture)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় রেশম মথ প্রতিপালন, সংরক্ষণ ও রেশম সূতা উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রেশম চাষ বা সেরিকালচার বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iii) মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মাছ, চিংড়ী ও উভচর নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বা ফিশারিজ বলে।
(iv) মৎস্য চাষ (Pisciculture)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মাছ চাষ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্য চাষ বা পিসিকালচার বলে।
(v) চিংড়ি চাষ (Prawn culture)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় চিংড়ি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে চিংড়ি চাষ বা প্রাউন কালচার বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vi) মুক্তা চাষ (Pearl culture ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় কৃত্রিম উপায়ে মুক্তা উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মুক্তা চাষ বা পায়েল কালচার বলে।
(v) পশুপালন (Animal husbandry)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় গবাদিপশু প্রতিপালন, দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পশুপালন বা অ্যানিমেল হ্যাসবেনড্রি বলে।
(vi) মেরিকালচার (Mericulture)ঃ বৈজ্ঞানিক উপায়ে মোহনা ও সমুদ্র উপকূল এলাকায় মুক্তা, মাছ, চিংড়ি, শৈবাল প্রভৃতি চাষ ও আহরণ করাকে মেরিকালচার বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vii) অ্যাকুয়াকালচার (Aquaculture)ঃ বৈজ্ঞানিক উপায়ে স্বাদুপানিতে মুক্তা, মাছ, চিংড়ি, কচ্ছপ, কুমির, শৈবাল প্রভৃতি চাষ করাকে অ্যাকুয়াকালচার বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(viii) হাঁস–মুরগি পালন (Poultry farming)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের এই শাখায় বিজ্ঞান সম্মতভাবে হাঁস–মুরগি প্রতিপালন, ডিম ও মাংস উৎপাদন প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে হাঁস–মুরগি পালন বা পোল্ট্রি ফার্মিং বলে।
(ix) বালাই নিয়ন্ত্রণ (Pest control)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় জমির ফসর ও গুদামজাত শস্যের অনিষ্টকারী পোকা নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বালাই নিয়ন্ত্রণ বা পেস্ট কন্ট্রোল বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xi) জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology)ঃ বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে জীবদেরকে যথাযথ ভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য মালামাল তৈরীর পদ্ধতিকে জীবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(xii) চিকিৎসাবিজ্ঞান (Medical Science)ঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মানবদেহের গঠন, বিভিন্ন রোগ, রোগের কারণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মেডিকেল সাইন্স বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স