(i) বন্য প্রাণী সংরক্ষণঃ বন্য প্রাণী নিয়ন্ত্রন ও সংরক্ষণের জন্য শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(ii) কৃত্রিম প্রজননঃ জীবের শ্রেণীবিন্যাসে জিনতাত্তি¡ক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় আনা হয়। শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নতুন ও উন্নত জাতের পশু-পাখি উদ্ভাবন সহজতর হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(iii) কৃষি উন্নয়নঃ কৃষি শিক্ষা, প্রাণী স্বাস্থ্যের উন্ন্য়ন, কীটপতঙ্গ দমন ও ফসলের উন্নয়নের জন্য শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান আবশ্যক।
(iv) পশু পালনঃ হাঁস-মুরগী ও গবাদি পশু প্রতিপালন ও যতেœর জন্য শ্রেণীবিন্যাস অধ্যায়ন করা প্রয়োজন।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(v) প্রাণীকে কাজে লাগানোঃ প্রাণীর আচার-আচারণ ও স্বভাব সম্পর্কে জেনে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় বলে এর মাধ্যমে প্রাণীদের উপকারী ও অপকারী ভুমিকা জানা যায় এবং সে অনুযায়ী এদেরকে ব্যবহার করা যায়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
(vi) খাদ্য শৃংখলঃ শ্রেণীবিন্যাসের ফলে প্রাণী বিলুপ্তি সম্পর্কে আগাম ধারণা লাভ করা যায়। তাই প্রাণী সংরক্ষণ তথা খাদ্য শৃংখল বজায় রাখতে প্রাণী শ্রেণীবিন্যাস প্রয়োজন।
(vii) প্রাণী বাছাইকরণঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে জানা যায় কোনটি উপকারী এবং কোনটি অপকারী প্রাণী। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স