যে প্রক্রিয়ায় পরিপাক নালি হতে খাদ্যের অর্ধ-কঠিন বা নরম পরিপাক বর্জ্য মল হিসেবে দেহের বাইরে নির্গত হয় তাকে মলত্যাগ ডেফিকেশন বা ইজেসশন (egestion) বলে। কোলন পেশির সংকোচনী ঢেউ বা পেরিস্ট্যালসিস প্রক্রিয়ায় মল জাতীয় পদার্থ বৃহদান্ত্র থেকে মলাশয়ে প্রেরিত হয়। বৃহদান্ত্রের প্রাচীর থেকে নিঃসৃত পিচ্ছিল মিউকাস পদার্থ লুব্রিকেন্টের মতো মল নির্গমণকে সহজ করে। মলাশয় একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পূর্ণ হলে এর প্রাচীরে চাপ সৃষ্টি হয়। এতে ডেফিকেশন প্রতিবর্তী ক্রিয়া ঘটে এবং মল ত্যাগের ইচ্ছা জাগে। মলাশয় প্রাচীর এবং পেলভিক পেশির চাপে মল পায়ু নালিতে প্রবেশ করে। পায়ু নালির পেরিস্ট্যালসিস ক্রিয়ায় মল পায়ুপথে বাইরে নির্গত হয়। পায়ু নালিতে অবস্থিত দুইটি স্ফিংটার পেশি মল নির্গমণ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যথা, ভয়, তাপমাত্রা, শারীরিক বা স্নায়বিক জটিলতা মল ত্যাগের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।