১। দেহের কোন স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হলে তা পূরণের জন্য মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
২। কোষে নিউক্লিয়াসের চেয়ে সাইটোপ্লাজমের পরিমাণ বেশি হলে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
৩। কোষে DNA এর পরিমাণ বেশি হলে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
৪। কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটলে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ত্বরান্বিত হয়।
৫। কোষে DNA-এর চেয়ে RNA-এর পরিমাণ বেশি হলে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
৬। সাইটোকাইনিন, স্টেরয়েড, লিম্ফোকাইন, EGF, PDGF প্রভৃতির কারণে কোষ বিভাজন ঘটে।
৭। কোষের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
৮। কোষের আয়তন বৃদ্ধির জন্য মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে।
৯। কোষে বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়া ঘটে। বিপাক ক্রিয়া সম্পাদনের জন্য কোষ বিভাজন আবশ্যক।
১০। কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নিউক্লিও-সাইটোপ্লাজমিক অনুপাত বজায় থাকে।