১। প্রথমে আহত ব্যক্তিকে পিঠের উপর ভর দিয়ে সোজা চিৎ করে শোয়াতে হবে। গলা, ঘাড় ও বুকের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।
২। রোগীর মুখের ভিতর কোন বহিরাগত বস্তু থাকলে আঙ্গুল দিয়ে তা বের করে নিতে হবে। মুখের ভিতর পানি বা শ্লেষ্মা থাকলে মাথা কাত করে বের করে দিতে হবে।
৩। রোগীর ঘাড়ের নিচে এক হাত এবং অপর হাত থুতনিতে দিয়ে উপরের দিয়ে উঠিয়ে ধরতে হবে। এতে জিহ্বা গলার মধ্যে আটকে থাকলে তা ছুটে যাবে এবং বায়ু প্রবাহের পথ উন্মুক্ত হবে।
৪। উদ্ধারকারীর এক হাত রোগীর কপালের উপর রেখে ঐ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলী ও তর্জনী দ্বারা রোগীর নাকের উভয় ছিদ্রকে এমনভাবে চেপে ধরতে হবে যাতে কোন ফাঁক না থাকে এবং বাতাস বের হতে না পারে।
৫। এরপর মুখে মাস্ক লাগিয়ে রোগীর মুখে জোড়ে জোড়ে বাতাস ঢুকানোর চেষ্টা করতে হবে যেন ফুসফুসে বাতাস পৌছে যায়। ছোট বা শিশুদের জন্য বাতাসের চাপ মৃদু হতে হবে।
৬। প্রতি মিনিটে ২০ বার ফুঁ দিতে হবে এবং যতক্ষণ রোগীর হৃৎস্পন্দন চালু না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে।
৭। রোগীর বুকের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, বুক উঠা-নামা করতে শুরু করলে মুখে বাতাস প্রবেশ করানো বন্ধ করতে হবে। রোগীকে এই অবস্থায় এক থেকে দেড়ঘন্টা রাখতে হবে। পরে পরিস্থিতি বুঝে চিকিৎসকের নিকট নিতে হবে।