খাদ্য পরিপাকে পাকস্থলীর ভূমিকা । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। খাদ্যের যান্ত্রিক পরিপাক

(i) চূর্ণ–বিচূর্ণ লালামিশ্রিত খাদ্যমন্ড কার্ডিয়াক অরিফিস হয়ে পাকস্থলীতে প্রবেশ করে। এসময় কার্ডিয়াক ও পাইলোরিক স্ফিংক্টার ছিদ্রপথ বন্ধ হয়ে যায়।

(ii) পাকস্থলীতে পেরিস্ট্যালসিস ঢেউ শুরু হয়। পেরিস্ট্যালসিস ঢেউ পাকস্থলীর ফান্ডাস থেকে শুরু এবং পাইলোরিকে শেষ হয়।

(iii) চক্রাকার পেশি ও অনুদৈর্ঘ্য পেশির সংকোচনের ফলে পেরিস্ট্যালসিস চলন ঘটে। খাদ্যদলার উপরের দিকে চক্রাকার পেশি এবং নিচের দিকে অনুদৈর্ঘ্য পেশি অবস্থান করে।

(iv) খাদ্যদলা গ্রাসনালির শেষপ্রান্তে পৌছালে কার্ডিয়াক স্ফিংক্টার প্রসারিত হয় এবং খাদ্য পাকস্থলীতে নিক্ষিপ্ত হয়।

(v) পাকস্থলীর ভিতরে খাদ্যবস্তুর সাথে গ্যাস্ট্রিক রস ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড মিশে কাইমে পরিনত হয়।

(vi) পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত HCl খাদ্যের জীবাণুকে ধ্বংস করে। পরিপাকের জন্য অম্লীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে।

২। খাদ্যের রাসায়নিক পরিপাক

(i) নিস্ক্রিয় পেপসিনোজেন HCl –এর প্রভাবে সক্রিয় পেপসিনে পরিনত হয়। পেপসিন প্রোটিনকে ভেঙ্গে প্রোটিওজ ও পেপটোনে পরিনত করে।

(ii) জিলেটিনেজ এনজাইম জিলেটিনকে ভেঙ্গে পেপটোন ও পলিপেপটাইড উৎপন্ন করে।

(iii) লাইপেজ এনজাইম লিপিডকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড, গিøসারল ও মনোগিøসারাইড উৎপন্ন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *