(i) কোষীয় মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে কিছু কোষ সম্মিলিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে তাকে কোষীয় মাত্রার গঠন বলে। কোষগুলো জনন কাজ, পুষ্টি সংগ্রহ, বিপাক প্রভৃতি কাজ করে। যেমন- Porifera পর্বের প্রাণী।
(ii) কোষ-কলা মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে সদৃশ কিছু কোষ সুনির্দিষ্ট স্তরে বিন্যস্ত হয়ে টিস্যু গঠন করে তাকে কোষ-কলা মাত্রার গঠন বলে। যেমন- Cnidaria পর্বের প্রাণী।
(iii) কলা-অঙ্গ মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে একাধিক টিস্যু মিলে অঙ্গ গঠন করে তাকে কলা-অঙ্গ মাত্রার গঠন বলে। যেমন- Platyhelminthes পর্বের প্রাণী।
(iv) অঙ্গ-তন্ত্র মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে একাধিক অঙ্গ মিলে তন্ত্র গঠন করে তাকে অঙ্গ-তন্ত্র মাত্রার গঠন বলে। এধরনের গঠন সর্বপ্রথম আবির্ভূত হয়েছে নিমারটিয়ান (Nemertean) নামক সামুদ্রিক প্রাণীতে। যেমন-Nematoda, Annelida, Mollusca, Arthropoda, Echinodermata ও Chordata পর্বের প্রাণী।