১। সাইজোগনি শেষে মেরোজয়েটগুলো লোহিত রক্তকণিকার প্রাচীর ভেঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসে। এতে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয় এবং রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।
২। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর যকৃত ও প্লীহা স্ফীত হয় বা ফুলে যায়। এ অবস্থায় রোগীর দেহে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন বাধপ্রাপ্ত হয়। এ কারণে রোগীর রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।
৩। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর প্লীহা থেকে লাইসোলেসিথিন (Lysolecithin) নামক বিশ্লেষী পদার্থ নিঃসৃত হয়। এ সব পদার্থ লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে। এতে রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।
৪। ম্যালেরিয়া পরজীবী হেমোলাইসিন (Heamolysin) নামক এক ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে। এই অ্যান্টিবডি সুস্থ RBC-কে ধ্বংস করে দেয়। এতে রোগী রক্তশুন্য হয়ে পড়ে।
৫। রোগীর খাবার গ্রহণে বিস্বাদ ও অরুচি দেখা দেয়। এতে পুষ্টির অভাব হয় এবং রক্তকণিকা সৃষ্টি হয় না।