১। মুখবিবরে পরিপাক
(i) টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেনকে ভেঙ্গে মল্টোজ, মল্টোট্রায়োজ ও আইসোমল্টোজে পরিনত করে
(ii) মল্টেজ এনজাইমের প্রভাবে মল্টোজ গ্লাকোজে রুপান্তরিত হয়।
২। পাকস্থলীতে পরিপাক
(i) লাইসোজাইম খাদ্যের সাথে আগত ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।
৩। ক্ষুদ্রান্ত্রের অগ্ন্যাশয় রসে পরিপাক
(i) অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেনকে ভেঙ্গে মল্টোজ, মল্টোট্রায়োজ ও ডেক্সটিনে পরিনত করে।
(ii) মল্টেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে মল্টোজ গ্লাকোজে রুপান্তরিত হয়।
৪। ক্ষুদ্রান্ত্রের আন্ত্রিক রসে পরিপাক
(i) অ্যামাইলেজ এনজাইম স্টার্চ ও ডেক্সটিনকে ভেঙ্গে মল্টোজ, মল্টোট্রায়োজ ও ক্ষুদ্র ডেক্সটিনে পরিনত করে।
(ii) আইসোমল্টেজ এনজাইমের প্রভাবে আইসোমল্টোজ হতে মল্টোজ ও গ্লাকোজ উৎপন্ন হয়।
(iii) মল্টোট্রায়েজ এনজাইম মল্টোট্রায়োজকে ভেঙ্গে গ্লাকোজে পরিনত করে।
(iv) মল্টেজ এনজাইমের প্রভাবে মল্টোজ হতে গ্লাকোজ উৎপন্ন হয়।
(v) সুক্রেজ এনজাইম সুক্রোজকে ভেঙ্গে গ্লাকোজ ও ফ্রুক্টোজে পরিনত করে।
(vi) ল্যাকটেজ এনজাইমের প্রভাবে ল্যাকটোজ হতে গ্লাকোজ ও গ্যালাকটোজ উৎপন্ন হয়।
শর্করা একটি জটিল জৈব রাসায়নিক পদার্থ। জীবদেহের জন্য ইহা জটিল, অদ্রবণীয় ও অশোষণযোগ্য। ইহা জীবদেহে কোন উপকারে আসে না। বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের কার্যকারীতায় শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লাকোজ ও ফ্রুক্টোজে পরিনত হয়। গ্লাকোজ ও ফ্রুক্টোজ দেহের জন্য সরল, দ্রবণীয় ও শোষণযোগ্য। আমাদের দেহকোষ গ্লাকোজ ও ফ্রুক্টোজ পরিশোষণ করে। এই গ্লাকোজ ও ফ্রুক্টোজই আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়।