উর্ধ্ব মহাশিরা বা সুপিরিয়র ভেনাক্যাভা ও ডান অলিন্দের মাঝখানে একগুচ্ছ বিশেষায়িত হৃৎপেশি থাকে। একে SAN বলে। এর দৈর্ঘ্য ১০-১৫ mm, প্রস্থ ৩ mm এবং পুরু ১ mm। SAN থেকে হৃৎপিন্ডের সংকোচন-প্রসারণের উদ্দীপনা বা অ্যাকশন পোটেনসিয়াল সৃষ্টি হয়। তাই SA নোডকে প্রাথমিক গতির উৎপাদক বলা হয়। উত্তেজনার ঢেউ সৃষ্টি এবং ঢেউ সৃষ্টির উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে বলে SAN-কে পেসমেকার বলা হয়। ইহা প্রতি মিনিটে ১০০ বিট হৃদস্পন্দন ঘটায়। দেহ হতে হৃৎপিন্ড বিচ্ছিন্ন করা হলেও এর সঙ্কোচন চলতে থাকে। এর কার্যকারীতা কমে গেলে ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্ট হয়। একে ইশকেমিয়া বলে। মার্টিন ফ্লাক (১৯০৭) এটি আবিষ্কার করেন।