DNA-কে বংশগতির ধারক ও বাহক বলার কারণ হলো-
১। DNA জীবের জৈবিক সংকেত প্রেরক হিসেবে কাজ করে।
২। DNA কোষ বিভাজনের সময় নির্ভুল প্রতিলিপি সৃষ্টি করে।
৩। DNA পিতামাতার বৈশিষ্ট্যাবলী সন্তান-সন্ততিতে স্থানান্তরিত করে।
৪। ইহা কোষের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটিন ও RNA সংশ্লেষ করে।
৫। ইহা মিউটেশনের মাধ্যমে জীবের গঠনের পরিবর্তন ঘটায়।
৬। DNA হলো জীবের মাস্টার মলিকুল।
৭। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় পিতা-মাতার DNA হুবহু জননকোষে গমন করে।
৮। ইহা প্রকরণ, মিউটেশন ও বিবর্তন ঘটায়।
৯। DNA প্রজাতি নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনশীল। কেবল মাত্র মিউটেশনের মাধ্যমে DNA অণুর পরিবর্তন ঘটে।
১০। মিউটেশনের মাধ্যমে DNA অণুর পরিবর্তন ঘটলে তা পরবর্তী বংশধরে প্রকাশ পায়।
উপরোক্ত তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা থেকে বলা যায় DNA হলো জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক।