১। গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের উপাদান উপচিতিমূলক কাজ করে।
২। গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়াটি কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে (Salisbury,1996)। তাই একে সাইটোপ্লাজমিক শ^সন বলা হয়।
৩। এই প্রক্রিয়ায় জীবদেহে গ্লুকোজ জারিত হয়।
৪। এই প্রক্রিয়ার মুখ্য বিষয় হলো পাইরুভিক এসিড সৃষ্টি। প্রতি অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু পাইরুভিক এসিড উৎপন্ন হয়।
৫। এ চক্রে উৎপন্ন পাইরুভিক এসিড ক্রেবস্ চক্রে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়।
৬। গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ATP ও 2wU NADPH+H+ উৎপন্ন হয়।
৭। এই চক্রে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না।
৮। খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তির প্রধান উৎস হলো গ্লাইকোলাইসিস।
৯। এই প্রক্রিয়ায় পাইরুভিক এসিড উৎপন্ন না হলে শ্বসন ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
১০। ফ্রুক্টোজ ও গ্যালাক্টোজ বিপাকের প্রধান পথ হলো গ্লাইকোলাইসিস।
১১। গ্লাইকোলাইসিসে যে ATP ও NADPH+H+ উৎপন্ন হয় তা মোট সুপ্তশক্তির ১৭%। এর মধ্যে মাত্র ৪% ব্যয় হয় এবং প্রায় ৮০% শক্তি পাইরুভিক এসিডের মধ্যে জমা থাকে।