গ্লাইকোলিপিড (Glycolipid)

যে সব লিপিড ফ্যাটি এসিড, গিøসারল ও কার্বোহাইড্রেট (গ্লুকোজ) দ্বারা গঠিত তাদেরকে গ্লাইকোলিপিড বলে। ইহা গ্লাইকোক্যালিক্স হিসেবে পরিচিত। যেমন-সেরিব্রোন, নারভন ইত্যাদি।
বিভিন্ন ধরনের গ্লাইকোলিপিড হলো-
(i) সেরিব্রোসাইডঃ যে গ্লাইকোলিপিড গিøসারল, ফ্যাটি এসিড ও গ্লুকোজ বা গ্যালাক্টোজ দ্বারা গঠিত তাকে সেরিব্রোসাইড বলে। ইহা প্রাণীর মস্তিষ্কে থাকে।
(ii) সালফাটিডঃ যে গ্লাইকোলিপিড গিøসারল, ফ্যাটি এসিড ও সালফেট দ্বারা গঠিত তাকে সালফাইড বলে। ইহা বৃক্ক, যকৃত, লালাগ্রন্থি, শুক্রাশয়, ক্লোরোপ্লাস্ট প্রভৃতিতে থাকে।
(iii) গ্যাংলিওসাইডঃ যে গ্লাইকোলিপিড গিøসারল, ফ্যাটি এসিড ও অলিগোস্যাকারাইড দ্বারা গঠিত তাকে গ্যাংলিওসাইড বলে। ইহা প্রাণীর মস্তিস্ক, স্নায়ুকোষ, প্লিহা ও লোহিত রক্তকণিকায় থাকে।
গ্লাইকোলিপিডের কাজ
(i) গ্লাইকোলিপিড কোষের আন্তঃক্রিয়ায় শনাক্তকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়।
(ii) ইহা ভাইরাস শনাক্তকরণের মাধ্যমে দেহের অনাক্রম্য সাড়া প্রদানে ভূমিকা রাখে।
(iii) ইহা ক্লোরোপ্লাস্টের মেমব্রেন গঠন করে।
(iv) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে।
(v) লিপিডের সাথে গ্যালাক্টোজ যুক্ত হয়ে গ্যালাক্টোলিপিড গঠন করে।
(vi) গ্লাইকোলিপিড মানুষের রক্তের গ্রুপ সৃষ্টি করে।
(vii) তুলা ও সূর্যমুখীর বীজে এই লিপিড পাওয়া যায়।
(viii) ইহা নিউরনের মায়োলিন সিথ গঠন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Dr. Abu Bakkar Siddiq