পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার কৌশল ।। আয়ন প্রবাহ মতবাদ

১৯৪৩ সালে বিজ্ঞানী ইমাম্মুরা (Imammura) সর্বপ্রথম পত্ররন্ধ্র খোলায় K+ এর ভূমিকা আবিষ্কার করেন। ১৯৫৯ সালে জাপানী বিজ্ঞানী ইমাম্মুরা এবং ফুজিনো (Imammura & Fujino) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে প্রমাণ করেন, K+ আয়নের সক্রিয় শোষণের দ্বারা পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়া নিয়ন্ত্রিত হয়।

(i) পত্ররন্ধ্র খোলার কৌশলঃ দিনের বেলায় রক্ষীকোষ প্রচুর পরিমাণ K+ ও  Cl আয়ন শোষণ করে। ফলে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ বেড়ে যায় এবং অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে। এ সময় রক্ষীকোষের টারগার প্রেশার (TP) বেড়ে যায় এবং রক্ষীকোষ ধনুকের মতো বেঁকে যায়। ফলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।

(ii) পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার কৌশলঃ রাতের বেলা রক্ষীকোষ থেকে K+ ও Cl আয়ন বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ কমে যায় এবং বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষ থেকে পানি বের হয়ে যায়। এ সময় রক্ষীকোষের টারগার প্রেশার (TP) কমে যায় এবং রক্ষীকোষ শিথিল হয়ে যায়। ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *