১৯০৮ সালে বিজ্ঞানী লয়েড পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়া সম্পর্কে মতবাদ প্রকাশ করেন।
(i) পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার কৌশলঃ এই মতবাদ অনুসারে, রক্ষীকোষে চিনি ও শে^তসারের আন্তঃপরিবর্তনের জন্য অভিস্রবণিক চাপের তারতম্য ঘটে এবং অভিস্রবণিক চাপের তারতম্যের উপর পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়া নির্ভরশীল। শে^তসার অদ্রবণীয় হওয়ায় এর উপস্থিতিতে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ কমে যায় এবং বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে যায়। রক্ষীকোষ পানি হারিয়ে চুপসে যায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
(ii) পত্ররন্ধ্র খোলার কৌশলঃ রক্ষীকোষের শে^তসার রুপান্তরিত হয়ে দ্রবণীয় চিনি তৈরী হয়। এতে রক্ষীকোষের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে। রক্ষীকোষ পানি গ্রহণ করে স্ফীত হয় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।