যে পদ্ধতিতে পরাগধানী থেকে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় তাকে পরাগায়ন বলে। পরাগায়ন হলো উদ্ভিদের প্রজননের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। ২,৫০,০০০ পুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে ৮৫% উদ্ভিদ পরাগায়নের জন্য বায়ু, প্রাণী ও কীটপতঙ্গের উপর নির্ভরশীল। উদ্ভদ জগতে দুই ধরনের পরাগায়ন ঘটে।
১। স্বপরাগায়ন (Self pollination)ঃ একই প্রজাতির বা একই গাছের দুইটি ফুলের মধ্যে যে পরাগায়ন ঘটে তাকে স্বপরাগায়ন বলে। স্বপরাগায়ন পদ্ধতিতে প্রজাতির বিশুদ্ধতা অক্ষুন্ন থাকে। যেমন-সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি।
২। পরপরাগায়ন (Cross pollination)ঃ ভিন্ন প্রজাতির বা ভিন্ন গাছের দুইটি ফুলের মধ্যে যে পরাগায়ন ঘটে তাকে পরপরাগায়ন বলে। পরপরাগায়ন পদ্ধতিতে প্রজাতির বিশুদ্ধতা অক্ষুন্ন থাকে না। যেমন-শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি।