প্রজাতির সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও শনাক্তকরণের উপায় ।। Species ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স     

দৈহিক দিক থেকে সর্বাধিক মিল সম্পন্ন এক দল জীব গোষ্ঠি যারা নিজেদের মধ্যে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম, কিন্তু অন্য গোষ্ঠির সাথে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে অসক্ষম তাদেরকে প্রজাতি বলে। ১৬৮৬ সালে John Ray সর্বপ্রথম Species শব্দটি ব্যবহার করেন।

 

প্রজাতির বৈশিষ্ট্য (Characteristics of species)

১। প্রতিটি প্রজাতির বৈশিষ্ট্য স্বতন্ত্র।

২। প্রজাতি হলো একটি জিন ভান্ডারের আঁধার।

৩। সর্বদা পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হওয়ার চেষ্টা করে।

৪। এরা পরস্পরের মধ্যে জিনের বিনিময় ঘটায়।

৫। এদের নতুন প্রজাতি সৃষ্টির ক্ষমতা আছে।

৬। একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি বৈশিষ্ট্যের মিল থাকে।

৭। একই প্রজাতির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম।

৮। এক প্রজাতির জীব অন্য প্রজাতির জীবের সাথে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে অক্ষম। অস্বাভাবিক যৌন জননে ঘোড়া ও গাধার মিলনে খচ্চর এবং বাঘ ও সিংহের মিলনে লাইগার সৃষ্টি হয়।

৯। একই প্রজাতিভুক্ত বিভিন্ন জীবের মধ্যে বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য থাকলেও তা হবে continuous বা নিরবচ্ছিন্ন।

১০। একটি প্রজাতিভুক্ত জীবসমুহ একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত।

 

প্রজাতি শনাক্তকরণের উপায় (Species identification)

১। অভিন্ন উৎপত্তিঃ একটি প্রজাতির সকল সদস্যরা প্রাকৃতিক ভাবে অভিন্ন পূর্বপুরুষ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।

২। সুনির্দিষ্ট ও ক্ষুদ্রতম জীবগোষ্ঠীঃ অঙ্গসংস্থানিক ও ক্রোমোসোমীয় বৈশিষ্ট্যের আলোকে প্রজাতি হলো ক্ষুদ্রতম ও সুনির্দিষ্ট জীবগোষ্ঠী।

৩। প্রজনন পদ্ধতিঃ প্রজাতি নিজেদের মধ্যে যৌন মিলনে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম।

৪। বাস্তুতান্ত্রিক এককঃ প্রত্যেক প্রজাতির সুনির্দিষ্ট বাস্তুতান্ত্রিক নীশ থাকে।

৫। জেনেটিক এককঃ । প্রজাতি হলো একটি জিন ভান্ডারের আঁধার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Dr. Abu Bakkar Siddiq