১। আলোঃ আলোর প্রখরতা বাড়লে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়। নীল আলো (Blue light) প্রস্বেদন ত্বরান্বিত করে।
২। তাপমাত্রাঃ ১০-২৫০ সে তাপমাত্রায় স্বাভাবিক প্রস্বেদন ঘটে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বাষ্পীভবনের হার বেড়ে যায়। ফলে প্রস্বেদন বৃদ্ধি পায়।
৩। বায়ু প্রবাহঃ বায়ু প্রবাহ জলীয়বাষ্পকে দ্রæত অপসারিত করে। এতে প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পায়।
৪। বায়ুমন্ডলীয় চাপঃ বায়ুমন্ডলের চাপ বাড়লে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়। একারণে উঁচু পাহাড়ে প্রস্বেদন হার বেশি।
৫। CO2 এর ঘনত্বঃ CO2 এর ঘনত্ব বাড়লে প্রস্বেদনের হার বাড়ে। তবে CO2 এর ঘনত্ব অধিক বৃদ্ধি পেলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
৬। আপেক্ষিক আর্দ্রতাঃ বায়ুমন্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে গেলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
৭। মাটিস্থ পানির পরিমাণঃ মাটিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকলে প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়।