১৬৭৫ সালে ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টিনি ভন লিউয়েন হুক (Antony Von Leeuwenhoek) ব্যাকটেরিয়া পর্যবেক্ষণ করেন এবং নাম দেন ক্ষুদ্র প্রাণী বা animalcule। ১৭৭৩ সালে ড্যানিশ বিজ্ঞানী মুলার দন্ডাকার ক্ষুদ্র প্রাণীকে ব্যাসিলি নামে অভিহিত করেন। ১৮২৯ সালে জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ (C. G Ehrenberg) সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র জীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। ১৮৬৯ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (Louis Pasteur) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্ব বা Germ theory of disease প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৭৮ সালে জার্মান চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী স্যাডিলট (Sadilot) ব্যাকটেরিয়াকে মাইক্রোবস্ নামে আখ্যা দেন। ১৯৫২ সালে জিন্ডার ও লিন্ডারবার্গ ব্যাকটেরিয়ার ট্রান্সডাকশন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৯৬৮ সালে বিজ্ঞানী ম্যারি (Mary) ব্যাকটেরিয়াকে প্রোক্যারিওটার অন্তর্ভুক্ত করেন। জার্মান চিকিৎসক রবার্ট কচ (Robert Koch) কে ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়।