বিজ্ঞানী হ্যাবারল্যান্ড (১৯১৪) অবস্থান অনুসারে ভাজক টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন।
(i) শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুঃ যে ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের শীর্ষদেশে অবস্থান করে তাকে শীর্ষস্থ বা অ্যাপিক্যাল ভাজক টিস্যু বলে। এরা হলো প্রাইমারী ভাজক টিস্যু। ইহা বিভাজিত হয়ে উদ্ভিদকে দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি ঘটায়। তাই শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুকে growing point বা বর্ধিঞ্চু তীক্ষাগ্ন বলে।
(ii) পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুঃ যে ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের পার্শ্ব বরাবর লম্বালম্বি ভাবে অবস্থান করে তাকে পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু বলে। ইহা সেকেন্ডরী বৃদ্ধি ঘটায়। এতে উদ্ভিদের বেড় বা প্রস্থ বৃদ্ধি পায়। যেমন– কর্ক ক্যাম্বিয়াম, ইন্টারফেসিকুলার ক্যাম্বিয়াম ইত্যাদি।
(iii) নিবেশিত ভাজক টিস্যুঃ যে ভাজক টিস্যু দুইটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থান করে তাকে ইন্টারক্যালারী ভাজক টিস্যু বলে। এরা প্রাইমারী ভাজক টিস্যু। ইহা উদ্ভিদের পত্রমূল, পর্বমধ্য, পর্বসন্ধি ও ফুলের বোটায় থাকে। ধান, গম, বাঁশ, ঘাস উদ্ভিদ, হর্সটেইল (ইকুইজিটাম), পাইন প্রভৃতি উদ্ভিদে থাকে।